
শেষ আপডেট: 29 November 2019 08:14
এক লিটার দুধ ভাগ করে দেওয়া হচ্ছে ৮১ জনকে[/caption]
ছবিটি গত বুধবার তোলা। শোনভদ্র জেলার চোপানে এই সরকারি স্কুলে ১৭১ জন পড়ে, তবে বুধবার ৮১ জন এসেছিল। তাদের সকলকে ওই এক লিটার দুধ ভাগ করে দেওয়া হয়। তারা জলমেশানো দুধও পাচ্ছিল আধগ্লাস করে।
শিশুরা নুন দিয়ে রুটি খাচ্ছে, এমন খবরের জন্য দু’মাস আগে একজন সাংবাদিককে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি রাজ্যের দুর্নাম করতে ষড়যন্ত্র করেছেন। এবার অবশ্য জানা যাচ্ছে না, ভিডিওটি কে তুলেছেন।
ভিডিওটি দেখার পরেই অবশ্য জেলা প্রশাসন নির্দেশ দিয়েছে, যাতে ওই স্কুলে বেশি করে দুধ দেওয়া হয় যাতে পড়ুয়ারা যথেষ্ট পরিমাণে দুধ পায়।
সংশ্লিষ্ট ব্লকের শিক্ষা আধিকারিক মুকেশ কুমার সাংবাদিকদের বলেন, “আমি তদন্ত করছি। এখানে গরু ও মোষের দুধ আনানো যাচ্ছে না বলেই প্যাকেটের দুধের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। এই প্রথম ওখানে কোনও ভুল হয়েছে এবং আমরা দ্রুত সেই ভুল শুধরে নিয়েছি।”
যে রাঁধুনি এই ভাবে পড়ুয়াদের জল মেশানো দুধ দিচ্ছিলেন তাঁর নাম ফুলবন্তী। তিনি স্পষ্টই জানিয়ে দেন, ওই পড়ুয়াদের সকলকে ভাগ করে দেওয়ার জন্য তাঁকে এক লিটার দুধই দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, “আমি এক লিটার দুধ এক বালতি দলে মিশিয়ে নিই। আমাকে তো এক লিটার দুধই দেওয়া হয়েছিল, তাই আমাকে জল মেশাতে হয়েছিল।”
স্কুলের শিক্ষক জিতেন্দ্র কুমার বলেন, “সম্ভবত ওই রাঁধুনি জানতেন না যে আরও দুধ ছিল।”
বরিষ্ঠ শিক্ষা আধিকারিক গোরক্ষনাথ পটেল বলেন, “আমাকে জানানো হয়েছে যে এই স্কুলে দুধের জোগান কম থাকায় কর্তৃপক্ষ নির্দেশ দিয়েছিল ভারসাম্য বজায় রেখে দুধে জল মেশাতে। আমাকে জানানো হয়েছে যে, শিক্ষকরা আরও দুধ কিনতে গিয়েছিলেন, কিন্তু তার আগেই ওই ছবি তোলা হয়ে যায়।” একই সঙ্গে তিনি বলেছেন যে দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করবেন।
মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশঙ্ক গত সপ্তাহেই লোকসভায় জানিয়েছিলেন সারা দেশের মধ্যে উত্তরপ্রদেশ থেকেই সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এসেছে মিডডে মিল নিয়ে। মোট ৫২টি অভিযোগের মধ্যে ১৪টি উত্তরপ্রদেশের।