
শেষ আপডেট: 8 November 2022 10:23
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হাওড়া: কাশ্মীরে জামাকাপড়ের ব্যবসা এবং মাদ্রাসায় শিক্ষকতার আড়ালে আসলে জঙ্গি সংগঠনের হয়ে সক্রিয়ভাবে কাজকর্ম করত আমিরউদ্দিন খান (Youth Arrested in Kashmir)। অভিযোগ এমনটাই। সোমবার কাশ্মীর (Kashmir) থেকে তাকে গ্রেফতারের করা হয়। কাশ্মীর পুলিশের দাবি, আমিরউদ্দিনকে গ্রেফতারের পর জেরা করে তার জঙ্গিযোগ (Terrorists) সম্পর্কে অনেক তথ্য উঠে এসেছে।
আমিরুদ্দিনের (Amiruddin) বাড়ি, হাওড়ার সাঁকরাইল থানার অন্তর্গত মাসিলা পাঠান পাড়ায়। তবে এখন সস্ত্রীক কাশ্মীরেই বসবাস তার। জঙ্গি গোষ্ঠী আলকায়দার সঙ্গে তার যোগ আছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। আমিরউদ্দিনের বিরুদ্ধে ভারতীয় অস্ত্র আইন, বিস্ফোরক আইন এবং ইউএপিএ ধারায় মামলা শুরু করেছে পুলিশ।
সোমবার আমিরউদ্দিনকে গ্রেফতারের সময় তার কাছ থেকে চিনা গ্রেনেড এবং অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশের দাবি। সোমবার রাতে আমিরউদ্দিনের গ্রেফতারের খবর তার সাঁকরাইলের বাড়িতে আসতেই বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যান পরিবারের সদস্য ও পড়শিরা। তাঁরা বিশ্বাস করতে নারাজ জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত আমিরউদ্দিন।
আমিরউদ্দিনের দাদা আজহারউদ্দিন খান জানান, তারা পাঁচ ভাই ও দুই বোন। আমিরউদ্দিন ছোট ভাই। উত্তরপ্রদেশে একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেছে। অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। ২০০৭ সাল থেকে আমিরউদ্দিন কাশ্মীরে বসবাস করছে। সেখানে বানিহাল ফইজুল ইসলাম মাদ্রাসায় থাকত। শিক্ষকতা করত। মাদ্রাসায় পড়ানোর পাশাপাশি জামাকাপড়ের ব্যবসাও করত। সাঁকরাইল এর বাড়ি থেকে পাইকারি হারে তার কাছে জামাকাপড় পাঠানো হত। এবছর ঈদের সময় শেষবার বাড়িতে এসেছিল।
গ্রামের বাসিন্দা বাবাই মীর জানান, তাদের গ্রামের গর্ব ছিল আমিরউদ্দিন। সে জঙ্গি কাজকর্মের সঙ্গে জড়িত, এটা মানতে পারছেন না তাঁরা।
পুরুলিয়ায় দুই গ্রামের ঝামেলায় বন্ধ রাস্তা, বাড়ি ফিরতে গিয়ে গণপিটুনিতে নিহত নিরীহ প্রৌঢ়