দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনার ভ্যাকসিন চলে এলে কারা আগে পাবে সে নিয়ে সব রাজ্যকেই গাইডলাইন বানাতে বলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রথম চার ক্যাটেগরিতে কারা থাকবে সে তালিকাও দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক জানিয়েছেন, টিকার বিতরণ সংক্রান্ত প্রাথমিক গাইডলাইন তৈরি হয়ে গিয়েছে। টিকার অগ্রাধিকারের তালিকায় প্রথমেই রয়েছেন স্বাস্থ্যকর্মী, গর্ভবতী মহিলা ও ষাটোর্ধ্ব প্রবীণরা। এর পরে বয়স, পেশা ইত্যাদি গুরুত্ব বিচার করে টিকা দেওয়া হবে।
ভ্যাকসিন যতদিন না আসছে মাস্ক পরে থাকা বাধ্যতামূলক ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক। সেই সঙ্গেই সোশ্যাল ডিস্টেন্সিং মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছেন। পট্টনায়ক বলেছেন, পশ্চিমের দেশগুলিতে তো বটেই, দিল্লিতেও করোনার তৃতীয় ঢেউ শুরু হয়ে গিয়েছে। শীতের আগে সংক্রমণ যাতে না বাড়ে সে জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হবে রাজ্যে। তার গাইডলাইন তৈরি হচ্ছে।
ওড়িশায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা তিন লাখের বেশি। তবে এ যাবৎ সুস্থও হয়েছেন তিন লাখের কাছাকাছি। পট্টনায়ক বলেছেন, টিকা চলে এলে প্রথম ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের দেওয়া হবে। এরপরে গর্ভবতী মহিলাদের টিকাকরণ হবে। ষাটের বেশি বয়সীরাও থাকবেন অগ্রাধিকারের তালিকায়। এরপরে কোমর্বিডিটির রোগীদের টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
ফেব্রুয়ারি মাসে টিকা নিয়ে আসার কথা ঘোষণা করে দিয়েছে ভারত বায়োটেক। একুশ সালের গোড়ায় টিকা আনতে পারে সেরাম ইনস্টিটিউটও। ভারতের প্রথম সারির এই দুই ভ্যাকসিন নির্মাতা সংস্থার ঘোষণার পরেই টিকার বিতরণের জন্য গাইডলাইন বানাতে শুরু করে দিয়েছে কেন্দ্র। ৩০ কোটি মানুষকে আগে করোনার টিকা দেওয়া হবে সে কথা আগেই জানিয়েছিল স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এই ৩০ কোটির মধ্যে কারা অগ্রাধিকার পাবেন সে নিয়ে প্রাথমিক গাইডলাইনও বানানো হয়েছে। টিকার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে চারটি ক্যাটেগরি তৈরি করা হয়েছে যার মধ্যে প্রথমেই রয়েছেন ডাক্তার, নার্স, আশা কর্মী ও দেশের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজের ডাক্তারি পড়ুয়ারা। জরুরি পরিষেবার সঙ্গে জড়িত কর্মী যেমন পুরসভার কর্মীরা, পুলিশ, প্রশাসনের কর্তারা এবং সশস্ত্র বাহিনী থাকবে দ্বিতীয় ক্যাটেগরিতে। তৃতীয় দলে থাকবেন বয়স্ক ব্যক্তি যাঁদের শরীরে কোমর্বিডিটি রয়েছে। ৫০ বছর বয়সের কম যাঁদের শরীরে অন্যান্য রোগ রয়েছে তাঁরা থাকবেন চতুর্থ ক্যাটেগরিতে।