
শেষ আপডেট: 21 June 2019 04:23
রথীন ঘোষ[/caption]
ভোটের পর থেকে উত্তপ্ত উত্তর চব্বিশ পরগনা। এ দিকে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল থেকে ও দিকে সন্দেশখালি, বারাসত, হাবরা সর্বত্র অশান্তি লেগেই রয়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রশাসনিক ব্যর্থতা যেমন রয়েছে, তেমনই রয়েছে সাংগঠনিক ব্যর্থতাও। একের পর এক বিধায়ক, পুরসভা, পঞ্চায়েত হাতছাড়া হচ্ছে তৃণমূলের। তৃণমূলের এক শীর্ষ নেতার কথায়, "উত্তর চব্বিশ নিয়ে দিদি ভীষণ বিরক্ত।"
৩১ বিধানসভা আসনের এই জেলায় ২০১৬-র ভোটে অধিকাংশ আসন জিতেছিল তৃণমূল। কিন্তু তিন বছরের মধ্যেই সেই জেলায় সংগঠন ভাঙনের মুখে। বেশ কিছু জনপদে তৃণমূলকে অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়েও দেখা যাচ্ছে না। সরকারে থাকা দলের যদি এই দশা হয়, তাহলে তা সর্বোচ্চ নেতৃত্বের চিন্তার বৈকি! তাছাড়া বালুর নিজের বিধানসভা হাবরাতেও পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। একচ্ছত্র আধিপত্য থাকা মতুয়া ভোটের অধিকাংশটা চলে গিয়েছে গেরুয়া বাক্সে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, বালুকে যদি দিদি সরিয়ে দেন, তাহলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। তাছাড়া তিনি গুরুত্বপূর্ন দফতরের মন্ত্রী। তাঁর পক্ষে এত বড় জেলার সংগঠন সামলানো মুশকিল। উত্তর চব্বিশ পরগনার রাজনীতিতে একটি চালু কথা রয়েছে। জেলার আয়তন বোঝাতে গিয়ে অনেকেই বলেন, এক প্রান্তে মেট্রো চলে, আর এক প্রান্তে বাঘ ডাকে। সেই জেলায় খাদ্য দফতর সামলে সংগঠন সামলানো খানিকটা চাপের বলেই মত রাজনৈতিক মহলের অনেকের। তার উপর এখন বিজেপি হাত বাড়াচ্ছে। চ্যালেঞ্জের মুখে সংগঠন। তাই এমন একজন কাউকে এই দায়িত্ব দিতে চাইছে তৃণমূল যাতে তিনি চব্বিশ ঘণ্টা এই কাজটাই করেন।