Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

একের পর এক সংঘর্ষ-মৃত্যু-ভাঙন, বালুকে সরিয়ে দেবেন দিদি?

দ্য ওয়াল ব্যুরো: একের পর এক প্রশাসনিক রদবদল চলছে। তবু থামছে না সংঘর্ষ, মৃত্যু। তবে কি এ বার উত্তপ্ত উত্তর চব্বিশ পরগনার সংগঠনেও বদল আনবেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? তৃণমূলের শীর্ষ সূত্রের খবর, জেলা সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হতে প

একের পর এক সংঘর্ষ-মৃত্যু-ভাঙন, বালুকে সরিয়ে দেবেন দিদি?

শেষ আপডেট: 21 June 2019 04:23

দ্য ওয়াল ব্যুরো: একের পর এক প্রশাসনিক রদবদল চলছে। তবু থামছে না সংঘর্ষ, মৃত্যু। তবে কি এ বার উত্তপ্ত উত্তর চব্বিশ পরগনার সংগঠনেও বদল আনবেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? তৃণমূলের শীর্ষ সূত্রের খবর, জেলা সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালুকে। বদলে সভাপতির চেয়ারে বসানো হতে পারে নতুন কোনও মুখকে। তৃণমূলের শীর্ষ সূত্রের মতে, বালুর বদলে সভাপতি হিসেবে মধ্যমগ্রামের বিধায়ক রথীন ঘোষের নাম বিবেচনার মধ্যে রয়েছে। যদিও এ ব্যাপারে সরকারি ভাবে মুখ খুলছেন না কোনও নেতাই। বালুবাবুর সঙ্গেও ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তাঁকে ফোনে পাওয়া যায়নি। পরে প্রতিক্রিয়া পেলে এই প্রতিবেদনে আপডেট করা হবে। [caption id="attachment_116486" align="aligncenter" width="400"] রথীন ঘোষ[/caption] ভোটের পর থেকে উত্তপ্ত উত্তর চব্বিশ পরগনা। এ দিকে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল থেকে ও দিকে সন্দেশখালি, বারাসত, হাবরা সর্বত্র অশান্তি লেগেই রয়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রশাসনিক ব্যর্থতা যেমন রয়েছে, তেমনই রয়েছে সাংগঠনিক ব্যর্থতাও। একের পর এক বিধায়ক, পুরসভা, পঞ্চায়েত হাতছাড়া হচ্ছে তৃণমূলের। তৃণমূলের এক শীর্ষ নেতার কথায়, "উত্তর চব্বিশ নিয়ে দিদি ভীষণ বিরক্ত।" ৩১ বিধানসভা আসনের এই জেলায় ২০১৬-র ভোটে অধিকাংশ আসন জিতেছিল তৃণমূল। কিন্তু তিন বছরের মধ্যেই সেই জেলায় সংগঠন ভাঙনের মুখে। বেশ কিছু জনপদে তৃণমূলকে অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়েও দেখা যাচ্ছে না। সরকারে থাকা দলের যদি এই দশা হয়, তাহলে তা সর্বোচ্চ নেতৃত্বের চিন্তার বৈকি! তাছাড়া বালুর নিজের বিধানসভা হাবরাতেও পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। একচ্ছত্র আধিপত্য থাকা মতুয়া ভোটের অধিকাংশটা চলে গিয়েছে গেরুয়া বাক্সে। পর্যবেক্ষকদের মতে, বালুকে যদি দিদি সরিয়ে দেন, তাহলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। তাছাড়া তিনি গুরুত্বপূর্ন দফতরের মন্ত্রী। তাঁর পক্ষে এত বড় জেলার সংগঠন সামলানো মুশকিল। উত্তর চব্বিশ পরগনার রাজনীতিতে একটি চালু কথা রয়েছে। জেলার আয়তন বোঝাতে গিয়ে অনেকেই বলেন, এক প্রান্তে মেট্রো চলে, আর এক প্রান্তে বাঘ ডাকে। সেই জেলায় খাদ্য দফতর সামলে সংগঠন সামলানো খানিকটা চাপের বলেই মত রাজনৈতিক মহলের অনেকের। তার উপর এখন বিজেপি হাত বাড়াচ্ছে। চ্যালেঞ্জের মুখে সংগঠন। তাই এমন একজন কাউকে এই দায়িত্ব দিতে চাইছে তৃণমূল যাতে তিনি চব্বিশ ঘণ্টা এই কাজটাই করেন।

```