
শেষ আপডেট: 18 July 2023 15:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো, নদিয়া: মোট ভোট (Panchayat election 2023) পড়েছিল ৭৯০টি। কিন্তু ব্যালট বাক্স খুলতেই বিজেপির কাউন্টিং এজেন্ট প্রশ্ন তোলেন, ব্যালটে প্রিসাইডিং অফিসারের সই কোথায়। ফ্যাঁসাদে পড়ে বুথের ৭৮৯টি ভোট বাতিল করতে হয়। বাকি ১টি ভোট পড়েছিল পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে। ওই সবেধন ভ্যালিড ভোটেই (Valid Vote) বাড়ির বড় বউকে হারিয়ে শেষ হাসি হাসলেন ছোট বউ।
প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে একটি ভোট বাদ দিয়ে গোটা বুথের বাকি সব ভোট বাতিল হতে পারে! ফল প্রকাশের এক সপ্তাহ পরে যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
নদিয়ার (Nadia) শান্তিপুর ব্লকের বাগাচড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের কুতুবপুর ৩০ নম্বর বুথের ঘটনা। ঘটনাচক্রে, এই বুথে লড়াইয়ের ময়দানে ছিলেন দুই জা! বিজেপি প্রার্থী প্রতিকা বর্মনের বিরুদ্ধে শাসকদল তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন তাঁরই জা রত্না বর্মন। বাসিন্দারা বলছেন, ভোট ঘোষণা হওয়া ইস্তক রাজনৈতিক লড়াইয়ের ময়দানে কেউ কাউকে এক ফোঁটাও জায়গা ছাড়েননি। জয়ের বিষয়ে দু’জনেই ছিলেন আশাবাদী। কিন্তু ১১ তারিখ গণনা পর্ব শুরু হতেই সামনে আসে বিপত্তি। দেখা যায়, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদের ব্যালট পেপারে প্রিসাইডিং অফিসারের সই থাকলেও গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি ব্যালট ব্যতিরেকে আর কোনও ব্যালট পেপারেও সই ছিল না প্রিসাইডিং অফিসারের।
আইন মেনে ৭৮৯টি ভোটকেই বাতিল ঘোষণা করেছে প্রশাসন। ওই এলাকায় একটি মাত্র পোস্টাল ব্যালটে ভোট পড়েছিল এবং সেটা ছিল বৈধ ভোট। সেই বৈধ পোস্টাল ব্যালটকে প্রাধান্য দিয়ে বিজেপি প্রার্থী প্রতিকা বর্মনকে জয়ী ঘোষণা করে কমিশন। তারপর থেকেই ক্ষোভে ফুঁসছেন তৃণমূলের প্রার্থী তথা বড় জা রত্না বর্মন।
রত্নাদেবী অভিযোগ করে বলেছেন, “এই ঘটনার পেছনে সম্পূর্ণ দায়ী প্রিসাইডিং অফিসার। পুনর্নির্বাচনের পাশাপাশি ওই প্রিসাইডিং অফিসারের শাস্তি চাই। সঠিকভাবে নির্বাচন হলে আমি জিততাম।” কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগও জানিয়েছেন রত্না। এখন দেখার কমিশন আদৌ কোনও পদক্ষেপ নেন কি না।
আরও পড়ুন: প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিবাদ, আতঙ্কে ঘরছাড়া হয়ে ক্যানিং স্টেশনে আশ্রয় বৃদ্ধের