দ্য ওয়াল ব্যুরো: শোনা যাচ্ছে বিখ্যাত সেই আড়াই প্যাঁচও খুলে গিয়ে হয়ে হয়ে গেছে সমতলের রাস্তার মতো সোজা। কারণ তার ওপর দিয়ে যাবে তাঁর গাড়ি। টাইগার হিলেও নাকি এখন যেতে হবে বিকেলে। সূর্যোদয়ের বদলে সূর্যাস্ত দেখতে। কারণ তাঁর ঘুম থেকে উঠতে দেরি হতে পারে ভেবে এখন ক'দিন দার্জিলিংঙে সূর্য অস্ত যাবে পুব দিকেই।
এমনকী, সবুজ নয় আর দার্জিলিং এর চা-বাগানগুলোও। নিজে নিজেই ছাকনির মধ্যে রাখা নেতানো খয়েরি পাতার রঙ নিয়েছে তাঁরা। গরম চায়ের লিকার বয়ে যাচ্ছে ঝরণা দিয়েও। তিনি খাবেন বলে।
এমনিতেই জল কষ্টের পাহাড়ে, তিনি স্নান করলে জলের আরো আকাল দেখা দেবে না তো? কিংবা রাত্রে যদি নাক ডাকেন তিনি? কে বলতে পারে হয়ত ধ্বস নেমে বন্ধ হয়ে গেল সব রাস্তা।
হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের সামনে থেকে ম্যাল অবধি ঘুরছে এমনই সব কথা। কারণ বরফির শহরে আসছেন থালাইভা।দক্ষিণ ভারতের মেগাস্টার রজনীকান্ত। যাঁকে নিয়ে জোকস ঘুরে বেড়ায় গোটা ইন্টারনেটে। ডেবিট কার্ড নয়, সামান্য ভিজিটিং কার্ড দিয়েই তিনি নাকি টাকা তুলতে পারেন এটিএম থেকে। কিংবা কাকতাড়ুয়ার বদলে ক্ষেতের ভিতর তাঁর ছবি লাগানোয় নাকি গত বছরের খেয়ে ফেলা ধানও ফিরিয়ে দিয়ে গিয়েছিল পাখিরা।
https://www.youtube.com/watch?v=kI5xK7HkqVs
সেই শিবাজি রাও গাওকোয়াড, যাঁকে নিয়ে মিথও কম নয় যাঁর সিনেমা চললে উপচে পড়ে দক্ষিণ ভারতের হল। লক্ষাধিক টাকাতে নাকি ব্ল্যাক হয় ফার্স্ট শো ফার্স্ট শো। তিনি চলে এসেছেন দার্জিলিং-এ। নির্দেশক কার্তিক সুব্বারাজের এখনও নাম ঠিক না করা ছবির শ্যুটিং করতে।
জানা যাচ্ছে, এই ছবির জন্য টানা ৪০ দিন পাহাড়ে থাকতে পারেন রজনী। প্রথমে কার্শিয়ং তারপর যাবেন পাহাড়প্রেমী বাঙালির ‘সপনো কা রানী’ দার্জিলিং শহরেও।
তবে থালাইভাকে চিনলেও, তাঁর সিনেমা তেমন ভাবে দেখেনি দার্জিলিং-কার্শিয়ং-কালিম্পং-এর মানুষ। তাই তাঁকে ঘিরে চলা জোকের নতুন সংস্করণেই মজে আছেন শহরের মানুষ।
এক রাজনৈতিক কর্মী তো মজা করে বলেই ফেললেন, দেখুন রজনীকান্তের ভয়ে না আবার বিমল গুরুং তৃণমূলে জয়েন করে।