দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব মেদিনীপুর: পটাশপুরে পরিবর্তন যাত্রা পর বিজেপির কর্মীদের ওপর হামলার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। বিজেপির অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনায় বিজেপির ৭ জন কর্মী আহত হয়েছেন। একজন কর্মীর অবস্থা আশংকাজনক। তাঁকে এগরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভোটের আগে এই ভাবে বিজেপি কর্মীদের ওপর আক্রমণ ফের একবার রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতির দিকে আঙুল তুলল।
বিজেপি সূত্রে খবর, আজ সোমবার পটাশপুরে বিজেপির ঠাসা কর্মসূচি ছিল। পরিবর্তন যাত্রার পর কনকপুর বাজারে বিজেপি নেত্রী লকেট চ্যাটার্জির একটি সভা ছিল। সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন রিতেশ তিওয়ারিও। সভা শেষ হয় বিকেলের দিকে। কর্মী-সমর্থকরা বাড়ি ফিরে যাওয়ার পর বেশ কিছুজন কর্মী সভাস্থল গোছানোর কাজ করছিলেন। সেই সময় বিজেপির স্থানীয় নেতা সরোজ প্রধানও ছিলেন। আচমকায়ই সেখানে চড়াও হয় বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী। তারা বিজেপি কর্মীদের ব্যাপক মারধর করে। তাতে গুরুতর জখম হন সরোজ প্রধান। তাঁকে তড়িঘড়ি এগরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। মাথা ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ক্ষত চিহ্ন রয়েছে বলে দাবি করেছে বিজেপি নেতৃত্ব।
বিজেপি নেত্রী মিঠু মন্ডলের দাবি, এই ঘটনা একমাত্র তৃণমূলই ঘটিয়েছে। তৃণমূল আক্রোশে এমন কান্ড ঘটিয়েছে। আসলে রাজ্যে বিজেপির জনপ্রিয়তা বাড়ছে। তাই ক্ষমতা হারানোর ভয় পাচ্ছে তৃণমূল। তারা বুঝতে পারছে যে বিজেপি এবার ক্ষমতায় আসবে। তাই এই ধরনের অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। বিজেপির এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, এই সমস্ত কিছু বিজেপির নব্য-পুরনো সংঘতের জের। কোনও জায়গায় অশান্তি হলেও বিজেপি নেতৃত্ব তার দায় জোর করে তৃণমূলের ওপর চাপাচ্ছে। এদিকে ঘটনা সম্পর্কে বিজেপির তরফ থেকে অভিযোগ জানানো হয়েছে। পরিস্থিত খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে গিয়েছিল পটাশপুর থানার পুলিশ। তদন্ত শুরু করেছে।