
শেষ আপডেট: 6 April 2022 04:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তপন কান্দুর খুনের ঘটনায় (Tapan Kandu Murder) প্রত্যক্ষদর্শী নিরঞ্জন বৈষ্ণবের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে বুধবার সকালে। তারপর থেকেই কার্যত উত্তাল ঝালদা। এরই মাঝে বিস্ফোরক দাবি করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী (Adhir Chowdhury)। বললেন, নিরঞ্জনকেও খুন করা হয়েছে। এবার ‘টার্গেট’ হতে পারেন তপন কান্দুর স্ত্রীও!
নিরঞ্জন বৈষ্ণব ঝালদার সদ্য নির্বাচিত কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুর ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তপনের খুনের দিন তিনি তাঁর সঙ্গেই ছিলেন। ঘটনা চোখের সামনে ঘটতেও দেখেছেন নিরঞ্জন। এদিন সকালে তাঁর অস্বাভাবিক মৃত্যু তপন কান্দুর খুনের ঘটনায় নতুন মোড় এনেছে। নিরঞ্জনের মৃতদেহের সঙ্গে পাওয়া গেছে একটি সুইসাইড নোট যাতে লেখা আছে মানসিক অবসাদের কারণেই আত্মঘাতী হয়েছেন নিরঞ্জন। যদিও নিরঞ্জনের পরিবার দাবি করেছে পুলিশ অত্যধিক চাপ সৃষ্টি করছিল তাঁর উপর, সেই কারণেই এমন পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন তপনের খুনের একমাত্র সাক্ষী।
আরও পড়ুন: অনুব্রত আজ কি সিবিআইয়ের মুখোমুখি? রাজ্যজুড়ে তুঙ্গে কৌতূহল
অধীর চৌধুরী অবশ্য এই আত্মহত্যার কথা মানতে নারাজ। তাঁর বক্তব্য নিরঞ্জনকে খুন করা হয়েছে। এভাবেই তপন কান্দুর খুনের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কারণ এই খুনের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন এলাকার বড় বড় তৃণমূল নেতা। তাঁদের আড়াল করতেই ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দাবি অধীরের।
এখানেই শেষ নয়, অধীর চৌধুরী আরও বলেছেন, তপন কান্দুর খুনের প্রত্যক্ষদর্শীর মৃত্যু হল। এবার হয়তো ‘টার্গেট’ হবেন নিহত কাউন্সিলরের স্ত্রী। তাঁকেও নানাভাবে হেনস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অধীর।
তপন কান্দুর খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। সেই অনুযায়ী কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা তদন্ত শুরুও করেছেন। তার মধ্যেই প্রত্যক্ষদর্শীর মৃত্যু হল। ঝালদার পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে গেল বলেই মনে করা হচ্ছে।