
শেষ আপডেট: 17 July 2023 13:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উনিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে চিটফান্ড তদন্ত নিয়ে নাটকীয় ঘটনাপ্রবাহ চলেছিল বাংলায়। তৎকালীন কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তাঁর বাড়িতে চলে গিয়েছিল সিবিআই টিম। পরে তাঁকে শিলংয়ে (Shillong) সিবিআই দফতরে কুণাল ঘোষের সঙ্গে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হয়েছিল।
তিনি জানিয়েছেন, চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কীভাবে জড়িত সে ব্যাপারে তথ্য ও প্রমাণ নিয়ে তিন দিনের মধ্যে সিবিআই ও ইডি দফতরে যাবেন তিনি। শুভেন্দুর এই কথা থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে নয়া জল্পনা শুরু হয়েছে। তা হল, চব্বিশের লোকসভা ভোটের আগে চিটফান্ড তদন্ত নিয়ে কি ফের নড়াচড়া শুরু হবে?
শুভেন্দু এ কথা বলতেই, তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, “সিবিআই দফতরে যাওয়ার সময়ে শুভেন্দু যেন নারদ কাণ্ডের ফুটেজ নিয়ে যান। যে ভিডিও ফুটেজে তাঁকে কাগজে মুড়ে টাকা নিতে দেখা গিয়েছিল। কেন তাঁকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না, তাও যেন জিজ্ঞেস করে আসেন”। কুণালের কথায়, “কাঁথিতে সারদার আবাসন তৈরির প্রকল্পে পুরসভার কারা সুদীপ্ত সেনকে চমকে টাকা নিয়েছিল, তাও যাতে সিবিআই দেখে সেটা যেন শুভেন্দু জানিয়ে আসেন।”
চিটফান্ড কেলেঙ্কারি নিয়ে সিবিআই তদন্ত দাবি করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা আবদুল মান্নান ও সিপিএম নেতা বিকাশ ভট্টাচার্য। ২০১৪ সালে সুপ্রিম কোর্ট এ ব্যাপারে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল। মান্নান সাহেব এদিন বলেছেন, “চিটফান্ড কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নামে প্রহসন হয়েছে। ওই তদন্তকে রাজনৈতিক হাতিয়ার করা ছাড়া আর কিছুই করেনি মোদী সরকার।”
তবে শুভেন্দুর কথা শুনে অনেকের যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে তা স্পষ্ট। তাঁদের মতে, বাংলায় গত দেড় দু’বছরে সিবিআই বা ইডির যে তৎপরতা দেখা গিয়েছে, তা অনেক সময়েই আগাম জানাতে দেখা গিয়েছে শুভেন্দুকে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ যে, বিধানসভার মধ্যে বা বিধানসভার বাইরে তিনি শাসক দলের অনেকের বিরুদ্ধে আয়কর বা কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সিকে লাগিয়ে দেবেন বলে হুমকি দিয়েছেন। ফলে এদিন তিনি যা বলেছেন, তা চিটফান্ড তদন্ত নতুন করে জেগে ওঠার ব্যাপারে ইঙ্গিত কিনা তা নিয়েই কৌতূহল বাড়ছে।
বেতন বন্ধ করে দেব! গর্জে উঠলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়, হাত জোড় করে সময় চাইলেন গৌতম