
শেষ আপডেট: 14 November 2018 14:18
আরও পড়ুন: শুভেন্দু অধিকারীর মাথা চাই, জঙ্গলমহলে মাওবাদী পোস্টারে উদ্বেগে প্রশাসন
পরিবহণ মন্ত্রীর কথায়, উনিশের ভোটে জলপাই রঙের পোশাক পরা পুলিশ আসুক বা হিন্দিভাষী পুলিশ, অধীর চৌধুরীকে হারাবোই হারাবো।” এ দিন জেলা দফতরে শুভেন্দু ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শ্রম দফতরের প্রতি মন্ত্রী জাকির হোসেন সহ দশ জন বিধায়ক, প্রয়াত মান্নান হোসেনের দুই ছেলে শমিক ও রাজীব হোসেন প্রমুখ।
এ দিন ভাগিরথী দুগ্ধ সমবায়ের অনুষ্ঠানেও যোগ দেন শুভেন্দু। বস্তুত রাজ্যের সব থেকে বড় সমবায় ব্যাঙ্ক কন্টাই কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান হলেন শুভেন্দু অধিকারী। ফলে সমবায় সম্পর্কে তাঁর সম্যক ধারনা রয়েছে। ভাগীরথী দুগ্ধ সমবায়ের নতুন লোগো উদ্বোধন করে তিনি বলেন, দুগ্ধ সমবায়গুলিকে সরকার আর্থিক অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ধরনের ৪৩০টি সমবায়কে অনুদান দেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, ভাগীরথী সমবায়ের শ্রমিক সংগঠনের উপরে এক সময় অধীর চৌধুরীর আধিপত্য ছিল। শুভেন্দু জেলার পর্যবেক্ষক হওয়ার পর অধীরবাবুর সেই প্রভাব আর নেই।
প্রশ্ন হল, শেষমেশ বহরমপুরে লোকসভার ভোট লড়াইয়ের স্বরূপ কী হবে?
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এ সব ব্যাপারে শুভেন্দু খুবই ক্লিনিকাল। তিনি একবার যখন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তখন বহরমপুরে এ বার অধীরবাবুকে বেগ পেতে হবে বইকি। চোদ্দর ভোটেও বহরমপুরে প্রার্থী দিয়েছিল তৃণমূল। কিন্তু তখন সাড়ে তিন লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জিতেছিলেন। এ বার লড়াই ততটা সহজ নয়। তবে তৃণমূল নেতাদের মতে, শুভেন্দুও জানেন লড়াই কঠিন। বহরমপুরে জিততে গেলে তৃণমূলের কর্মীদের উজ্জীবিত করে রাখতে হবে। তাই এখন থেকে উচ্চগ্রামে প্রচার শুরু করেছেন।
তবে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে অধীরবাবু বলেন, “শিশিরবাবুকে কোনওদিনও অসম্মান করেছি বলে মনে পড়ে না। ওনাকে শ্রদ্ধাই করি।” তাঁর কথায়, “যতদূর ভোটের প্রশ্ন, নির্বাচনে হার জিত রয়েছে। অধীর চৌধুরীতে তাতে ডরায় না। তবে হ্যাঁ, তৃণমূল গুণ্ডা,বদমাশ,পুলিশ, প্রশাসনকে দিয়ে ভোট না করিয়ে যেন জনমতকে মর্যাদা করে।