শেষ আপডেট: 2 July 2020 12:37
বিজেপির অবশ্য পাল্টা বক্তব্য, ছ’বছর আগের মামলা খুঁচিয়ে বার করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারলেও দিনহাটার পুলিশ সাম্প্রতিক কালে এক শিক্ষিকাকে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা তথা জেলাপরিষদের কর্মাধ্যক্ষ নুর আলম হোসেনকে গ্রেফতার করতে পারেনি। প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তার খোঁজ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ বিজেপি নেতৃত্বের। নেতারা।
বিজেপি বিরোধী দল। পুলিশকে দুষতেই পারে তারা। কিন্তু শাসকদলের বিধায়কও পুলিশকে কাঠগড়ায় তোলায় চাঞ্চল্য পড়ে গেছে জেলা জুড়ে।
২০১৪ সালে এক রাতে কোচবিহারের দিনহাটার বাসিন্দা সুবোধ চক্রবর্তী ও আরতী চক্রবর্তীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে খুনের চেষ্টা করা হয়। আরতীদেবীর মৃত্যু হলেও হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে কোনওমতে বেঁচে যান সুবোধবাবু। সেই ঘটনার পরেই পালিয়ে যায় ওই দম্পতির বাড়ির পরিচারিকা মঞ্জু সাহা। দিনহাটা থানার পুলিশের তদন্তে অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবে মঞ্জু সাহার নাম উঠে আসলেও অনেক তল্লাশি চালিয়েও তার খোঁজ পায়নি।
সম্প্রতি দিনহাটার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পায় অভিযুক্ত পরিচারিকা মঞ্জু সাহা নাম পরিবর্তন করে পূর্ণিমা সাহা নামে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জের চণ্ডীতলায় তাঁর বোন সরস্বতী ঘোষের বাড়িতে রয়েছেন। এরপরেই রায়গঞ্জ থানাকে বিষয়টি জানায় দিনহাটা থানার পুলিশ। রায়গঞ্জের পুলিশ সুপার অনুপম সিং জানিয়েছেন, দিনহাটা পুলিশের কাছ থেকে সূত্র পেয়ে রায়গঞ্জ থানার আইসি সুরজ থাপার নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী চণ্ডীতলায় তল্লাশি চালিয়ে সরস্বতী ঘোষের বাড়ি থেকে খুনের অভিযুক্ত পরিচারিকা মঞ্জু সাহা ওরফে পূর্ণিমাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার করা হয় তার বোন সরস্বতীকেও।