
শেষ আপডেট: 4 June 2020 08:23
অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় ঘাটাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। জানা গেছে, যদুপুর গ্রামেই বাড়ি বিশ্বজিৎ খাড়া নামে ওই পরিযায়ী শ্রমিকের। মুম্বইয়ে সোনার কাজ করেন তিনি। শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন চালু হওয়ার পর দশ দিন আগে গ্রামে ফিরেছেন। তারপর সরকারি নিয়ম অনুযায়ী গ্রামের স্কুলে তৈরি হওয়া কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রয়েছেন। সেখানেই এ দিন ভোর রাতে সাপের ছোবল খান তিনি। জানা গেছে, ওই কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে এই মুহুর্তে আটজন পরিযায়ী শ্রমিক রয়েছেন।
পরিবারের অভিযোগ, দিন দশেক ধরে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে থাকলেও পরিযায়ী শ্রমিকদের কোনও খোঁজখবর নেয়নি ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। এমনকি সাপের ছোবল খাওয়ার পরেও তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য সরকারি অ্যাম্বুল্যান্স মেলেনি। খবর পেয়ে ছুটে আসা পরিবারের লোকজন ও গ্রামবাসীরা নিজেদের উদ্যোগে হাসপাতালে নিয়ে যান তাঁকে। এ বিষয়ে প্রশাসন বা জেলা স্বাস্থ্য দফতরের কেউ কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
বিষধর সাপটি কালাচ সাপ বলে প্রাথমিক অনুমান প্রত্যক্ষদর্শীদের। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে দাসপুরে। গ্রামবাসীরা জানান, বেশ কয়েকদফায় বৃষ্টি হয়েছে। সঙ্গে ভ্যাপসা গরম। এমন আবহাওয়ায় সাপের উপদ্রব বাড়ছে। কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে সাপের উপদ্রব রুখতে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই এই ঘটনা।