দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি করোনা পরিস্থিতিতে সামাজিক দায়িত্ব বেড়ে গেছে পুলিশের। ব্যস্ততা বেড়েছে প্রত্যেক পুলিশকর্মীর। এই স্ট্রেস ম্যানেজমেন্টের জন্য জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে যোগব্যায়াম ক্লাস শুরু হয়েছিল আগেই। এবার শুরু হয়ে গেল পুলিশের লাফিং ক্লাস। নাগরাকাটা থানা প্রথম চালু করল এই ক্লাস।
এখন প্রতিদিন সকাল হলেই ডুয়ার্সের নাগরাকাটা থানার ওসি সঞ্জু বর্মন থানার অন্যান্য পুলিশ কর্মীদের নিয়ে চলে যান মাঠে। শুরু হয় দৌড় ও পিটি। এরপর যোগব্যায়ামের ক্লাস। শেষে লাফিং ক্লাস।
লকডাউনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি করোনা রুখতে বাড়তি দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে পুলিশকে। মানুষ যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখেন তারজন্য সতর্ক নজর রাখতে হচ্ছে। পাশাপাশি রয়েছে করোনা উপসর্গ দেখা দিলেই রোগীকে বাড়ি থেকে হাসপাতালে আনা, করোনায় কেউ মারা গেলে মৃতদেহ সৎকার করা, কোথাও আবার গৃহবন্দি মানুষদের মন ভাল করতে ও তাঁদের সচেতন করতে ম্যাজিক দেখানো বা গান গাওয়া। এই সব করতে গিয়ে ব্যস্ততার সঙ্গেই মানসিক চাপও বাড়ছে তাঁদের। শরীর সুস্থ রাখার পাশাপাশি মানসিক চাপ কমাতে যোগব্যায়ামের জুড়ি নেই। তাই জেলার সমস্ত থানাগুলিতে নিয়ম করে শুরু হয়েছে যোগ ব্যায়াম।
নাগরাকাটা থানার ওসি সঞ্জু বর্মন বলেন, ‘‘ করোনা মোকাবিলা করতে গিয়ে যাতে পুলিশ কর্মীরা মানসিক অবসাদগ্রস্ত না হয়ে পড়েন সেদিকে কড়া নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আমাদের জেলার পুলিশ সুপার। তাই যোগব্যায়াম, পিটি ইত্যাদি তো চলছেই, এরই পাশাপাশি আমরা লাফিং ক্লাসও চালু করেছি।’’
জলপাইগুড়ি পুলিশ সুপার অভিষেক মোদী বলেন, ‘‘স্ট্রেস ম্যানেজমেন্টের জন্য জেলার সমস্ত থানাগুলিতে এই ধরনের ক্লাস শুরু হয়েছে।’’