
শেষ আপডেট: 7 February 2020 06:50
বাগানের পিছনে চলে নিরলস পরিশ্রম। এখন তিন ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে নৃপেন্দ্রবাবুর সংসার অনেকটাই স্বচ্ছল। গাঁদা, ডালিয়া, সূর্য্যমুখী-সহ নানান বাহারি দেশি বিদেশি ফুলের গালিচা তৈরি করে এলাকায় বেশ নামডাকও অর্জন করেছেন তিনি। তিনি বলেন, “দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ায় ১০ টাকা দিয়ে ফুলের চাষ শুরু করেছিলাম। এখন ১০ লক্ষ টাকার চারা সব সময় আমার কাছে থাকে। নতুন ৫ কাটা জমি কিনেছি। এই দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছাড়াও নেপাল ভুটানে আমার চাষ করা ফুল রফতানি হয়।”
১০ টাকায় এক কোটি টাকা লটারি পেয়েছেন ভ্যান চালক এমন খবর মাঝেমধ্যেই প্রকাশিত হয়। কিন্তু নৃপেন্দ্রবাবুর ঘুরে দাঁড়ানো পুরোটাই পরিশ্রমের জোরে। তাঁর সাফল্যে খুশি আলিপুরদুয়ার মহকুমা হর্টিকালচার বিভাগের আধিকারিক সন্দীপ মহন্তও। তিনি বলেন, “আলিপুরদুয়ার প্রশাসনিকভাবে জেলা হলেও এই জেলার হর্টিকালচার বিভাগ এখনও জেলাস্তরে উন্নীত হতে পারেনি। সেই কারণে ফুলচাষিদের আমরা খুব বেশি সাহায্য করতে পারিনি। তবে সত্যি নৃপেন্দ্রবাবু আমাদের সকলকে গর্বিত করেছে। আমি জানি ফুল চাষে অনেক ক্ষেত্রে উনি আমাদের থেকে বেশি জানেন। ভবিষ্যতে অবশ্যই ওই এলাকার ফুলচাষিদের পাশে আমরা কিভাবে থাকতে পারি তা দেখছি।”