Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল‘ইরানকে বিশ্বাস নেই’, যুদ্ধবিরতির মাঝে বিস্ফোরক জেডি ভ্যান্স! তবে কি ভেস্তে যাবে শান্তি আলোচনা?১৮০ নাবালিকাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শোষণ! মোবাইলে মিলল ৩৫০ অশ্লীল ভিডিও, ধৃতের রয়েছে রাজনৈতিক যোগ ৩৩ বছর পর মুখোমুখি ইজরায়েল-লেবানন! ওয়াশিংটনের বৈঠকে কি মিলবে যুদ্ধবিরতির সমাধান?ইউরোপের আদালতে ‘গোপনীয়তা’ কবচ পেলেন নীরব মোদী, জটিল হচ্ছে পলাতক ব্যবসায়ীর প্রত্যর্পণ-লড়াইইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরও

বিদ্যুতের আলো নিয়ে স্বাধীনতা এল বর্ধমানের দুই গ্রামে, স্বাধীনতার ৭৪ বছর পর

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: আলো যে আসলে স্বাধীনতা, বুঝতে বুঝতে কেটে গেল স্বাধীনতার পর ৭৪টি বছর। অবশেষে আলো জ্বলল ঘরে, নড়ে উঠল ফ্যানের ব্লেড। বাঁধভাঙা আনন্দে ভেসে গেল পাশাপাশি দুই গ্রাম হলুদগড় আর কাঁটাগড়। সত্যিই যে স্বাধীনতা এল! রাত নামা

বিদ্যুতের আলো নিয়ে স্বাধীনতা এল বর্ধমানের দুই গ্রামে, স্বাধীনতার ৭৪ বছর পর

শেষ আপডেট: 19 August 2020 12:59

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: আলো যে আসলে স্বাধীনতা, বুঝতে বুঝতে কেটে গেল স্বাধীনতার পর ৭৪টি বছর। অবশেষে আলো জ্বলল ঘরে, নড়ে উঠল ফ্যানের ব্লেড। বাঁধভাঙা আনন্দে ভেসে গেল পাশাপাশি দুই গ্রাম হলুদগড় আর কাঁটাগড়। সত্যিই যে স্বাধীনতা এল! রাত নামার পরেও মনের সুখে কাজ করার। জানার আনন্দে বই পড়ার। গলসির আদিবাসী প্রধান দু’টি গ্রাম হলুদগড় আর কাঁটাগড়। এতদিন সন্ধ্যা নামলেই অন্ধকারে মুখ ঢাকতো দুই গ্রাম।  আলোর জন্য গ্রামের মানুষের ভরসা ছিল হ্যারিকেন, নয়তো লন্ঠন। পাখার বাতাস করতে করতে হাত ব্যথা করে উঠলে ঘামে ভিজে যেত গা। ৭৪ তম স্বাধীনতা দিবস পার করে মঙ্গলবার প্রথম বিদ্যুৎতের আলো জ্বলল সেই হলুদগড় আর কাঁটাগড়ে গ্রামে । তাই খুশির জোয়ারে ভাসলেন আদিবাসী অধ্যুষিত এই দুই গ্রামের বাসিন্দারা । প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে হ্যারিকেন ও লন্ঠনের আলোর ভরসাতেই দিন কাটাচ্ছেন এই গ্রামের বাসিন্দারা। হাঁসফাঁস গরম আর বর্ষায় সন্ধ্যার অন্ধকার নামলেই সাপের উপদ্রবে আতঙ্কে রাত জাগেন বাসিন্দারা। আলো জ্বালানোর জন্য তেল কেনার টাকা নেই। তাই দিনের আলো ফুরোনোর আগেই পড়াশোনা করে নেয় গ্রামের ছেলেমেয়েরা। বাসিন্দারা জানান, বিদ্যুৎ পরিষেবা পেতে বছরের পর বছর বিদ্যুৎ দফতর- সহ প্রশাসনের নানা জায়গায় আবেদন নিবেদন করে গিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু কানে তোলেননি কেউ। অবশেষে হলুদগড়ে ও কাঁটাগড়ের বাসিন্দাদের ঘরে জ্বলল বিদ্যুৎতের আলো। দুই আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রামে বিদ্যুৎ পরিষেবা চালু করতে পেরে খুশি গলসির বিদ্যুৎ দফতরের স্টেশন ম্যানেজার সুবীর বিশ্বাস। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ পরিষেবা পাওয়ার জন্য দুই গ্রামের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে আবেদন করে আসছিলেন। গ্রামের মানুষদের মুখে হাসি ফোটাতে সম্প্রতি দু’টি নতুন ট্রান্সফরমার বসানো হয়। তারপরেই দুই গ্রামে পৌঁছল বিদ্যুৎ।’’ তিনি জানান, আপাতত ৫০ টি ঘরে কোটেশন ছাড়াই বিনামূল্যে কানেকশন দেওয়া হয়েছে। এই দুই গ্রামের উপভোক্তাদের আরও সুবিধা দিতে কানেকশন পাওয়ার জন্য ৮৫০ টাকা সাত দফায় পরিশোধ করার সু্যোগ করে দেওয়া হয়েছে । এ ছাড়া যাঁদের বিলের টাকা বেশি হবে, তাঁরা যাতে অসুবিধায় না পড়েন তারজন্য কিস্তিতে টাকা পরিশোধ করার সুযোগ করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি গ্রামবাসীরা যাতে বিদ্যুতের অপব্যবহার না করেন ও বিদ্যুতের বিল ঠিকমতো পরিশোধ করেন সে ব্যাপারে পরামর্শ দেন তিনি।

```