Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রেআশা ভোঁসলেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্থগিত কনসার্ট, গায়িকার নামে হাসপাতাল গড়ার উদ্যোগউৎসবের ভিড়ে হারানো প্রেম, ট্রেলারেই মন কাড়ছে ‘উৎসবের রাত্রি’‘বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার সমাধান’, পাহাড় ও সমতলের মন জিততে উন্নয়নের ডালি শাহেরথাকবে না লাল কার্ড, খেলা ৫০ মিনিটের! ফুটবলকে আরও জনপ্রিয় করতে ছকভাঙা প্রস্তাব নাপোলি-প্রধানেরনতুন সূর্যোদয়! নীতীশের ছেড়ে যাওয়া মসনদে সম্রাট চৌধুরী, প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী পেল বিহারমাত্র ৫০০ টাকার পরীক্ষা বাঁচাবে কয়েক লাখের খরচ, কেন নিয়মিত লিভারের চেকআপ জরুরি?অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীর গাড়িতে তল্লাশির নির্দেশ! কমিশনের ‘হোয়াটসঅ্যাপ নির্দেশ’ দেখাল তৃণমূল

রাত থেকে লাগাতার বৃষ্টি উত্তরবঙ্গে, তিস্তার জলে ভেসে যাওয়ায় বন্ধ দার্জিলিং-কালিম্পং সড়ক

প্রবল বর্ষণে আবারও বন্ধ হয়ে গেল দার্জিলিং-কালিম্পং সড়ক।

রাত থেকে লাগাতার বৃষ্টি উত্তরবঙ্গে, তিস্তার জলে ভেসে যাওয়ায় বন্ধ দার্জিলিং-কালিম্পং সড়ক

ফের বৃষ্টিতে ভাসল উত্তরবঙ্গ

শেষ আপডেট: 20 June 2024 13:04

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দক্ষিণ পুড়লেও উত্তরবঙ্গ ভেসে যাচ্ছে বৃষ্টিতে। প্রবল বর্ষণে আবারও বন্ধ হয়ে গেল দার্জিলিং-কালিম্পং সড়ক। পেশকের রাস্তার ওপর দিয়ে বইছে তিস্তার জল। 

একটানা বৃষ্টির জেরে তিস্তাবাজার এবং সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক করল কালিম্পং জেলা প্রশাসন। বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্পূর্ণভাবে বন্ধ না হলেও সতর্ক হয়ে গাড়ি চালানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে চালকদের। বুধবার পাহাড়ের বিভিন্ন জায়গায় রাতভর প্রবল বর্ষণের পর ফের ধস নেমেছে রবিঝোড়া, লিকুভিরের মতো জায়গাগুলিতে। বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।

এদিকে পাহাড়ে লাগাতার বৃষ্টিতে তিস্তার পাশাপাশি জল বাড়ছে ফুলহর নদীতেও। ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার ইসলামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নদীর অসংরক্ষিত অঞ্চলে। ঘর হারানোর আতঙ্কে রয়েছেন নদীর দক্ষিণ পাশে  রশিদপুর, ভাকুরিয়া মীরপাড়া তাঁতি পাড়া সহ একাধিক গ্রামের বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, প্রতিবছর ফুলহরের ভাঙনে বিপন্ন হয় তাঁদের জীবন। ধীরে ধীরে নদীর গর্ভে চলে যাচ্ছে গ্রাম। সরকার এখনই ব্যবস্থা না নিলে ভিটে হারিয়ে উদ্বাস্তু হতে হবে তাঁদের। ইতিমধ্যে অনেক কৃষকের জমিও নদীর তলায় চলে গিয়েছে বলে জানান তাঁরা। 

উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু অবশ্য দায় চাপিয়েছেন রাজ্যের ঘাড়ে।তাঁর দাবি, গঙ্গা এবং ফুলহর নদীর ভাঙনের স্থায়ী সমাধান করতে কেন্দ্রীয় সেচমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। কিন্তু এই ব্যাপারে রাজ্যের কোনও উদ্যোগ নেই।


```