দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমন্ত্রণ পত্র পাওয়া সত্ত্বেও ঠাকুরনগরে অমিত শাহের সভায় ঢুকতে বেগ পেতে হল বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক বিশ্বজিত্ দাসকে। শেষমেশ শুভেন্দু অধিকারীর হস্তক্ষেপে জট কাটে। সভায় পৌঁছন বিশ্বজিত্।
কয়েকদিন আগেই এই বিশ্বজিত্ই বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে হাত দিয়ে প্রাণাম করেছিলেন। বিশ্বজিত্ তৃণমূলের টিকিটে জিতেছিলেন। পরে বিজেপিতে যোগ দেন।
সেদিন মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে বলেছিলেন, "কীরে বিশ্বজিত্, ডিশিসন নিলি?" নোয়াপাড়ার বিধায়ক তথা বিজেপিতে যোগ দেওয়া সুনীল সিংও ছিলেন বিশ্বজিতের সঙ্গে। পরে দুজন মমতার সঙ্গে একান্তে বৈঠকও করেন। সন্ধ্যায় যদিও দেখা যায় হেস্টিংসে বিজেপি দফতরে গিয়েছেন দুজনেই। কারণ, ততক্ষণে ফোনে যোগাযোগ করে দুজনকেই বোঝানোর পালা চলে বলে খবর।
সেই বিশ্বজিতই বৃহস্পতিবার প্রায় আধ ঘণ্টা দাঁড়িয়েছিলেন অমিত শাহের সভার বাইরে। শেষমেশ শান্তনু ঠাকুরকে ফোন করে তাঁকে ভিতরে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেন শুভেন্দু।
বিজেপির একটি সূত্রের দাবি, বনগাঁয় এক প্রকার একাধিপত্য কায়েম করতে চাইছেন শান্তনু ঠাকুর। বিশ্বজিৎকে বনগাঁ উত্তরের প্রার্থী করা নিয়ে তাঁর আপত্তি রয়েছে। শান্তনু চাইছেন, বনগাঁ লোকসভার আওতায় সাতটি বিধানসভা আসনে তাঁর পছন্দের প্রার্থীরা টিকিট পান। তবে রাজ্য বিজেপির এক নেতা বলেন, দুলাল বর, বিশ্বজিৎ দাসরা অনেক আগে দল ছেড়ে বিজেপিতে এসেছেন। তাঁদের নিজ নিজ আসনে প্রার্থী করার ব্যাপারে তখন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তার খেলাফ করলে ভুল বার্তা যেতে পারে।