
শেষ আপডেট: 22 June 2022 09:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেতুগ্রামের হাত কাটার ঘটনায় কাটোয়া আদালতে (katwa court) গিয়ে গোপন জবানবন্দি (statement) দিলেন রেণু খাতুন (Renu Khatun)। এই ক'দিন বর্ধমানের দিদির বাড়িতে ছিলেন রেণু। আজ কেতুগ্রাম থানার পুলিশ সেখান থেকে তাঁকে নিয়ে কাটোয়া মহকুমা আদালতে আসে।
জানা গেছে, গোপন জবানবন্দিতে রেণু ম্যাজিস্ট্রেটকে জানিয়েছেন, জীবনের কোনও অবস্থাতেই তিনি কখনওই তাঁর স্বামীর কাছে ফিরে যাবেন না। আদালত থেকে বেরোনোর পরেও এ কথাই জানান রেণু। তিনি আরও বলেন, স্বামী-সহ চার অভিযুক্তের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের শাস্তি হোক। তাঁর কথায়, 'মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন করব দোষীদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড যেন হয়। এবার দোষীদের শাস্তির দাবিতে আইনি লড়াই শুরু হল আমার।'
চলতি মাসের চার তারিখে কেতুগ্রাম থানার অন্তর্গত কোজলসা গ্রামে ঘটে গেছিল এই মর্মান্তিক কাণ্ড। রেণু সরকারি হাসপাতালের নার্স হিসেবে চাকরি পাওয়ার পরে গভীর রাতে তিন দুষ্কৃতীকে সঙ্গে নিয়ে নৃশংস ভাবে রেণুর হাতের কব্জি কেটে নেয় তার স্বামী শরিফুল। গ্রেফতার হয় তারা।
অন্যদিকে, হাসপাতালে চিকিৎসার পরে সেরে ওঠেন রেণু। তাঁর হাত জোড়া লাগানো যায়নি আর। তবে কৃত্রিম হাতের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে সরকার। এর পরে ওই অবস্থাতেই সরকারি চাকরিতে যোগও দিয়েছেন রেণু।
ঘটনার তদন্তের স্বার্থে হাসপাতালে রেণুর রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয় আজ। ঘটনাস্থল কোজলসা গ্রামের ঘর থেকে উদ্ধার করা বিছানার চাদর, পোশাকে লেগে থাকা রক্তের সঙ্গে তা মিলিয়ে দেখা হবে বলে জানায় পুলিশ। এর পরে, আজ আদালতে রেণুর গোপন জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। গোপন জবানবন্দি দিয়ে ফেরার সময়ে রেণু খাতুন জানান, স্বামীর কাছে ফিরবেন না। একথাই তিনি জানিয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেটকেও।
রেণুর অভিযুক্ত স্বামী শরিফুল মহম্মদ অবশ্য শনিবার ভোল বদলে দাবি করেছিল, চাকরি পাওয়ার জন্য নয়, রেণু বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়াতেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে সে। যদিও এই ঘটনার জন্য সে এখন আফশোস করছে। এ বিষয়ে রেণু সাফ বলেন, 'ও নিজেকে বাঁচতে এইসব কথা বলছে। আমি চাই আর ওরা কখনও যেন জেলের বাইরে না বের হতে পারে।'
দিনে চার-পাঁচটা করে ধর্ষণ! পাকিস্তানের পাঞ্জাব যেন নরক হয়ে উঠেছে, জরুরি অবস্থা জারি সরকারের