.webp)
জলপাইগুড়ি রামকৃষ্ণ মিশন।
শেষ আপডেট: 23 May 2024 10:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুলিশের খাতায় তিনি 'ফেরার'। সেই 'ফেরার' অভিযুক্তই থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করল এবং পুলিশ সেটিকে এফআইআর হিসেবে গ্রহণও করেছে!
পুলিশের এই ভূমিকা নিয়েই বড় প্রশ্ন তুললেন জলপাইগুড়ি রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবীরানন্দ। তিনি বলেন, 'এটা অত্যন্ত বেদনাদায়ক যে প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতারের পরিবর্তে পুলিশ তার মিথ্যে অভিযোগের ভিত্তিতে আমাদের প্রয়াগরাজের মহারাজ অক্ষয়ানন্দজির নামে জামিন অযোগ্য ধারায় এফআইআর দায়ের করেছে।"
সুবীরানন্দ আরও বলেন, যে মহারাজের নামে অভিযোগ আনা হয়েছে, তিনি প্রায় ৭-৮ বছর ধরে জলপাইগুড়িতেই নেই। স্বাভাবিকভাবে পুরো ঘটনাকে ঘিরে প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা।
গত ১৮ মে জলপাইগুড়ি রামকৃষ্ণ মিশনের মধ্যে ঢুকে সন্ন্যাসীদের হুমকি, মারধর করার অভিযোগ উঠেছিল জমি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে। মিশন কর্তৃপক্ষর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেফতার করলেও প্রধান অভিযুক্ত প্রদীপ রায় ফেরার ছিলেন।
এরই মাঝে প্রধান অভিযুক্ত প্রদীপ রায় রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজদের নামে পাল্টা অভিযোগ এনেছেন। পুলিশ সেটিকে এফআইআর হিসেবে গ্রহণও করেছে।
রামকৃষ্ণ মিশন কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, প্রদীপ রায় নামে এক ব্যক্তি তাঁর দলবল নিয়ে গত ১৮ তারিখ মিশনের মধ্যে হামলা চালায়। সন্ন্যাসীদের হুমকি দেয়, মারধর করে। এমনকী মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। যাওয়ার সময়ে আশ্রমের দুই নিরাপত্তারক্ষী সহ পাঁচ কর্মীকে তুলে নিয়ে যায় তাঁরা। যদিও অভিযুক্ত প্রদীপ রায়ের দাবি, ওই জমিটি উত্তরাধিকার সূত্রে তাঁর।
তবে বুধবার এবিষয়ে সাংবাদিক বৈঠক থেকে ডেপুটি পুলিশ সুপার জানিয়েছিলেন, প্রদীপ রায় যে দাবি করছেন তা মিথ্যে। আদালতের নির্দেশ মত, জমির মালিকানা রামকৃষ্ণ মিশনের নামে রয়েছে।
তাহলে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার কেন করা হচ্ছে না? থানায় অভিযোগ জানাতে আসার সময়ই বা তাকে কেন গ্রেফতার করা হল না? পুলিশের কাছ থেকে এই প্রশ্নের কোনও সদুত্তর মেলেনি। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে জনমানসেও।