রসিকবিলের চিড়িয়াখানা ধুলোয় ঢাকা, শীত এলেও মন্দা পর্যটনে
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্যাচপ্যাচে গরমে ঠাঠা রোদ মাথায় আর যাই হোক চিড়িয়াখানা ঠিক জমে না। তাই শীত এলেই খাবারদাবার গুছিয়ে নিয়ে বাঙালি ভিড় জমতে শুরু করে চিড়িয়াখানায়। তুফানগঞ্জের রসিকবিল চিড়িয়াখানাতেও এসময় ভিড় উপচে পড়ে। তবে এবছর ছবিটা
শেষ আপডেট: 6 December 2021 14:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্যাচপ্যাচে গরমে ঠাঠা রোদ মাথায় আর যাই হোক চিড়িয়াখানা ঠিক জমে না। তাই শীত এলেই খাবারদাবার গুছিয়ে নিয়ে বাঙালি ভিড় জমতে শুরু করে চিড়িয়াখানায়। তুফানগঞ্জের রসিকবিল চিড়িয়াখানাতেও এসময় ভিড় উপচে পড়ে। তবে এবছর ছবিটা অন্যরকম। পর্যটক নেই, খাঁ খাঁ করছে পর্যটন কেন্দ্র।
কেন এমন দশা? স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মনে করছেন বেহাল রাস্তার কারণেই কার্যত রসিকবিল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন পর্যটকরা।
কোচবিহারের শেষ প্রান্তে রয়েছে রসিকবিল মিনি জু পর্যটন কেন্দ্র। চিতাবাঘ, হরিণ, মেছো বিড়াল, ময়ূর ,অজগর সহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখতে পাওয়া যায় সেখানে। শীত এলেই ভিড় জমে। স্থানীয় মানুষ তো বটেই ভিন রাজ্যের পর্যটকদের আগমনেও গমগম করে মিনি জু।
তবে করোনার রেশ কাটিয়ে উঠে এবছর রসিকবিলের ছবিটা যেমন হওয়ার কথা ছিল ঠিক তার উল্টো। শীতের শুরুতেই পর্যটনে ভরাডুবি। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত।
তুফানগঞ্জ হরিপুর জাতীয় সড়ক থেকে রসিকবিল কামাখ্যাগুড়ি রাজ্য সড়কটি দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। এদিকে ওদিকে খানাখন্দ। গাড়ি গেলেই ধুলো উড়ছে। সে কারণেই এবছর পর্যটকশূন্য রসিকবিল, এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তাঁরা জানান, রাস্তা সম্প্রসারণের দাবি জানিয়েও লাভ হয়নি।

রসিকবিল পর্যটন কেন্দ্রের পাশে ছোট ছোট রেস্টুরেন্টগুলি ভিড়ে ঠাসা থাকে এ সময়। কিন্তু বর্তমানে পর্যটকদের দেখা মেলা ভার।
বছর পাঁচেক আগে শেষবার রাস্তাটি সংস্কার করা হয়েছিল। তারপর আবারও পর্যটন কেন্দ্রে ঢোকার মুখের রাস্তাটির দফারফা হয়ে গিয়েছে। পুজোর আগেও কিছু অংশে তাপ্পি দেওয়ার কাজ হয়েছিল। কিন্তু তাও ফের চটলা উঠতে শুরু করেছে।
সেই বেহাল রাস্তা দিয়েই বাস ডাম্পার সহ ভারী গাড়ি চলাচল করে। এর ফলে রাস্তা আরওই বেহাল হচ্ছে।
চিড়িয়াখানা সামনের রাস্তায় এখন ধুলো ভর্তি। গাড়ি চলাচল করলেও সেই ধুলোয় দোকানপাট, দোকানের জিনিসপত্র ধুলোয় ভরে যায়। আর এই ধুলোর জেরেই প্রাণ ওষ্ঠাগত মানুষের। রাজ্য সড়কের ওপর সেই ৯ কিলোমিটার রাস্তা না সারাই হলে ধীরে ধীরে মানুষের মন থেকে মুখে যাবে রসিকবিল, পর্যটকরা আরওই এমুখো হবেন না। সেই আশঙ্কায় মুষড়ে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।