
শেষ আপডেট: 30 November 2022 07:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: ছাত্রমৃত্যুর পর আন্দোলনে অচল হল বরানগরের প্রতিবন্ধী হাসপাতাল (Baranagar Hospital)। ফলে চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে রোগীদের (Patient Suffer)। নাকাল হয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা রোগীর পরিজনরা। এদিকে দোষীদের শাস্তির দাবিতে অনড় ছাত্ররাও। সকাল থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এনআইএলডি হাসপাতাল চত্বর।
মঙ্গলবার এনআইএলডি হাসপাতালের হস্টেল থেকে ডাক্তারি ছাত্র প্রিয়রঞ্জন সিং এর দেহ মেলে। দ্বিতীয় বর্ষের ওই ছাত্রের ঘর থেকে সুইসাইড নোটও উদ্ধার করে পুলিশ। তা থেকে প্রাথমিকভাবে জানা যায়, প্রিয়রঞ্জনের উপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালাত একদল ছাত্র। তা সহ্য করতে না পেরেই আত্মঘাতী হন তিনি। বিষয়টি জানাজানি হতেই ছাত্র বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে হাসপাতাল চত্বর। ঘটনার তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে শুরু হয় আন্দোলন।
ভালোবেসে বিয়ে, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর উপর বাড়ির লোকের চূড়ান্ত অত্যাচারে আত্মঘাতী দম্পতি
প্রিয়রঞ্জন ছিল বিহারের বাসিন্দা। ময়নাতদন্তের পর এনআইএলডি হাসপাতাল ক্যাম্পাসে তাঁর দেহ নিয়ে আসা হলে শেষ বিদায় জানান তার সহপাঠীরা। এরপরেই তাঁর দেহ নিয়ে গয়ায় তাঁর বাড়ির দিকে রওনা দেন স্বজনরা। এদিকে র্যাগিংয়ের ঘটনা ছ’মাস আগে হয়েছিল বলে স্বীকার করে নিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে সেটা মিটে গেছিল বলেই তাঁদের দাবি।
এদিকে দুদিন ধরে ছাত্র আন্দোলনের জেরে হাসপাতালের পরিষেবা শিকেয় উঠেছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত এমনকী লাগোয়া রাজ্যগুলি থেকেও শারীরিকভাবে অক্ষম বাচ্চাদের নিয়ে আসছেন তাদের পরিবারের লোকজন। হাসপাতালের ভেতরে ঢুকতে না পেরে ফিরে যেতে হচ্ছে তাঁদের। ছাত্রমৃত্যুতে সহানুভূতিশীল হলেও পরিষেবা না পেয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন তাঁরা।