শনিবার সন্ধ্যাতেই মোট তিন জনের শরীরে করোনা ধরা পড়েছিল এ রাজ্যে। এক জন তাঁদের মধ্যে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের রোগী। অন্য দুই আক্রান্ত মহিলা এগরার একটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তার আগের দিন অর্থাৎ গত পরশু নদিয়ার তেহট্টে একই পরিবারের পাঁচ জনের আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল।
রাজ্যে ক্রমশই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। সর্বপ্রথম কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়েছিলেন লন্ডন ফেরত এক তরুণ। এরপর আক্রান্ত হন বালিগঞ্জের এক যুবক। তিনিও ফিরেছিলেন লন্ডন থেকেই। প্রথম আক্রান্তের পরিবারের কারও শরীরে সংক্রমণের নমুনা পাওয়া না গেলেও দ্বিতীয় আক্রান্তের পরিবারের তিন সদস্যের কোভিড ১৯ পজিটিভ রিপোর্ট আসে। হাবরার বাসিন্দা এক তরুণীও আক্রান্ত হয়েছেন করোনাভাইরাসে। জানা যায়, তিনিও ফিরেছিলেন স্কটল্যান্ড থেকে। ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে দমদমের এক বাসিন্দার।সূত্রের খবর, করোনা আক্রান্ত নয়াবাদের প্রৌঢ়ের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। এছাড়াও মিশর এবং ব্রিটেন ফেরত দু’জনের শরীরেও সংক্রমণে নমুনা পাওয়া গিয়েছে।
এই পরিস্থিতিতেও স্বস্তির খবর মিলেছিল আজ সকালে। জানা গেছিল, নভেল করোনা আক্রান্ত প্রথম তিনজনের শরীরে এই মুহূর্তে কোনও সংক্রমণ নেই। এঁদের সকলের চিকিৎসা চলছিল বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে। রাজ্যে প্রথম আক্রান্ত তিনজনের দ্বিতীয় বার পরীক্ষায় মিলেছে নেগেটিভ রিপোর্ট।
রাজ্যে প্রথম দিকে পরপর তিন কোভিড-১৯ আক্রান্তরা এখন করোনা সংক্রমণ থেকে মুক্ত। ওই তিন আক্রান্তের শরীর থেকে দ্বিতীয় বার নমুনা সংগ্রহ করে নেগেটিভ রিপোর্ট মিলেছে।
রাজ্যে করোনা আক্রান্ত প্রথম যুবক যিনি সরকারি আধিকারিকের পুত্র, হাবড়ার বাসিন্দা যুবতী এবং বালিগঞ্জের যে যুবক লন্ডন থেকে ফিরে এসেছিলেন তাঁর বাবার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। এই তিনজনের শরীর থেকে শুক্রবার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। শনিবার তা পরীক্ষা করা হয়। তিনজনেরই রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। অর্থাৎ রাজ্যে করোনা সংক্রমিতদের যে চিকিৎসা চলছে তা কাজে দিচ্ছে।


