দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছাত্রী বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠল উত্তর চব্বিশ পরগনার দক্ষিনেশ্বরের হীরালাল মজুমদার কলেজ। ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ থেকে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় মঙ্গলবার। চলে ব্যাপক ভাঙচুর। দীর্ঘক্ষণ কলেজে আটকে রইলেন অধ্যক্ষ ডঃ সোমা ঘোষ-সহ অধ্যাপক-অধ্যাপিকারা। যদিও সন্ধের পর পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জানা গিয়েছে, আপাতত ঘেরাও উঠেছে। কলেজ থেকে বেরোতে পেরেছেন অধ্যক্ষ-সহ বাকি অধ্যাপক ও শিক্ষাকর্মীরাও।
ছাত্রীদের অভিযোগ, বিভিন্ন খাতে ফি বাড়িয়ে দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। যাতে মাস মাইনে এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। মূলত দক্ষিণেশ্বরের এই কলেজে বহু প্রান্তিক এলাকার ছাত্রীরা পড়তে আসে। হুগলির চণ্ডীতলা, হাওড়ার সলপ এলাকার নিম্নবিত্ত পরিবারের বহু মেয়েই এই কলেজে ভর্তি হয়। ছাত্রীদের বক্তব্য, হঠাৎ করে ফি বাড়িয়ে দেওয়ায় তাদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
এর সঙ্গেই যুক্ত হয়েছে, কলেজের এক শিক্ষককর্মীর ব্যবহার। ছাত্রীদের অভিযোগ, এক গ্রুপ ডি স্টাফ ছাত্রীদের গায়ে হাত দিয়েছেন। এদিন লাঠিসোটা নিয়ে ভাঙচুর চলে কলেজে। তছনছ করে দেওয়া হয় একাধিক আসবাব।
অধ্যক্ষ সোমা ঘোষ বলেন, ফি বাড়ানো হয়নি। অনেক ছাত্রীই তিন মাসের মাইনে একসঙ্গে দিয়েছে। তাদের ব্যাপারটা বুঝতে অসুবিধে হচ্ছে। শিক্ষাকর্মীর গায়ে হাত দেওয়ার প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, “আমি ওদের বলেছি, সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হবে। প্রমাণ হলে ব্যবস্থা নেবে কলেজ। কিন্তু ওরা সেসব না শুনেই আজ কার্যত তাণ্ডব চালিয়েছে।”
সন্ধের পর পুলিশ গিয়ে ঘেরাও তোলে। তারপর বাড়ি যান অধ্যাপক-অধ্যাপিকারা। জানা গিয়েছে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কলেজ গেটে পুলিশ পিকেট রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।