বারাবনির দোমহানি-গৌরাণ্ডি রাস্তা বেহাল, লকডাউনের জন্য আটকে যায় কাজ, শীঘ্রই শুরু করার আশ্বাস প্রশাসনের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভরা বর্ষার মধ্যে রাস্তা বেহাল হওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন বারাবনি ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষজন। পুঁচড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার মদনপুর গ্রামের দোমহানি থেকে গৌরাণ্ডি পর্যন্ত যাওয়ার প্রধান যে সড়ক রয়েছে তার অবস্থা খুবই খারাপ। খানা
শেষ আপডেট: 6 July 2020 03:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভরা বর্ষার মধ্যে রাস্তা বেহাল হওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন বারাবনি ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষজন। পুঁচড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার মদনপুর গ্রামের দোমহানি থেকে গৌরাণ্ডি পর্যন্ত যাওয়ার প্রধান যে সড়ক রয়েছে তার অবস্থা খুবই খারাপ। খানাখন্দে ভরা রাস্তায় যত্রতত্র জল জমে রয়েছে। রাস্তাটি কার্যত চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
বছরের অন্য সময় অসুবিধা তো হচ্ছিলই এখন বর্ষা নেমে যাওয়ায় সমস্যা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে সাইকেল ও মোটর সাইকেল আরোহীদের ছোটখাট দুর্ঘটনা এখন নিত্যসঙ্গী। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনিক উদাসীনতার অভিযোগ তুলেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, স্থানীয় প্রশাসনকে তাঁরা বারবার জানিয়েছেন কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তাঁরা বলেন, “এই রাস্তায় বহু দিন ধরে জল জমে রয়েছে একটু বর্ষা হলেই রাস্তার যেখানে সেখানে জল জমে যায়। তাছাড়া জল নিকাশির কোনও ব্যবস্থা না থাকার জন্য রাস্তার বিভিন্ন জায়গা দেখে পুকুর বলে ভুল হতে পারে। কোথাও কোথাও তো বাচ্চারা স্নানও করতে পারে!”
স্থানীয় এক টোটো চালক বলেন, “আমি এই রাস্তা দিয়ে যাত্রী নিয়ে আসা-যাওয়া করি। এখানে তো যে কোনও সময় বিপদ ঘটে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। রাস্তা খারাপ থাকার কারণে যাত্রীরাও এখান দিয়ে যাতায়াত করতে ভয় পান। প্রায় দিনই এই রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটে। গাড়ির যন্ত্রাংশ দ্রুত খারাপ হয়ে যায় রাস্তার গচ্চায় পড়ে। জল জমে থাকায় বোঝা যায় না কোথায় কতটা গর্ত রয়েছে।” গাড়ির চালক থেকে যাত্রী – সকলেই খুব সমস্যায় পড়েছেন।
[caption id="attachment_236855" align="aligncenter" width="640"]

পুকুৃর নয়, এটাই দোমহানি থেকে গৌরাণ্ডি যাওয়ার রাস্তা[/caption]
পুঁচড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান পার্থসারথি মুখোপাধ্যায় বলেন, “এই রাস্তাটি পূর্ত দফতরের অধীনে রয়েছে। আমাদের স্থানীয় পঞ্চায়েত এবং ব্লকের তরফ থেকে এই রাস্তার অবস্থার কথা তাদের জানানো হয়েছিল। রাস্তা সারানোর অনুরোধও করা হয়েছিল। সেই মতো কাজ শুরু হয়ে গিয়েছিল। পরে করোনার মোকাবিলায় হঠাৎ লকডাউন শুরু হয়ে যাওয়ার ফলে সমস্ত কাজ আটকে রয়েছে। গ্রামের লোকজন চাইছিলেন ওই রাস্তার পাশে জল নিকাশির ব্যবস্থা করা হোক। রাস্তা হয়ে গেলে পঞ্চায়েতের তরফে খুব তাড়াকাড়ি সেই কাজ করে ফেলা হবে।” এখন লকডাউন উঠে গিয়ে আনলক পর্ব চালু হয়েছে। তাতে কেন্দ্রীয় সরকারের একশো দিনের কাজের প্রকল্পে শ্রমিকদের কাজ দেওয়া শুরু হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে পূর্ত দফতরের সংশ্লিষ্ট আধিকারিক বলেন, “যে এই রাস্তার কাজ খুব তাড়াতাড়ি শুরু হয়ে যাবে।”