
শেষ আপডেট: 22 January 2019 14:37
চালিয়েছিল। তিনি বাড়ির সংস্কার করতে গিয়েছিলেন, তাঁকে টাকা দিতে হয়। প্রতিবাদে তিনি ধর্নায় বসেন।
তৃণমূলের ওই সাংসদের নাম মনে করতে পারছিলেন না বিজেপি সভাপতি। মঞ্চে বসা এক নেতা তাঁকে নামটা ধরিয়ে দেন, ‘সৌগত রায়’। যদিও পরে বিজেপি নেতারা বলেন, সৌগত রায় নন, সুগত বসুর কাছে যে তোলা চেয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছিল তা খবরের কাগজেই বেরিয়েছিল।
অমিত শাহ-র এই সব বক্তব্যেই আপত্তি জানিয়েছে তৃণমূল। দলের মুখপাত্র ডেরেক ও ব্রায়েন বলেন, বাংলাকে অপমান করেছেন বিজেপি সভাপতি। উনি ওনার কথা ফিরিয়ে না নিলে মানহানির মামলা করা হবে। এ দিন সন্ধ্যায় ডেরেক আরও বলেন, “অমিত শাহ-র মনে রাখা উচিত বাংলা উত্তরপ্রদেশের মতো নয় যে মিথ্যা ও ঘৃণার বিষ ছড়িয়ে পার পেয়ে যাবেন। বাংলায় শান্তি ও সদ্ভাবের পরিবেশ রয়েছে। এবং সিন্ডিকেট ট্যাক্স নিয়ে আপনার ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রত্যাহার না করলে মানহানির মামলা করা হবে।”
https://twitter.com/AITCofficial/status/1087712598492012546
ঘটনা হল, তৃণমূলের যে কথায় কথায় মামলা করার বাতিক রয়েছে তা নিয়েও এ দিন মালদহের সভায় কটাক্ষ করেছিলেন অমিত শাহ। এর আগে মেয়ো রোডের সভায় তিনি দুর্নীতি প্রসঙ্গে অভিযোগ করার সময় ‘ভাতিজা’ শব্দের প্রয়োগ করায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে এ দিন কারও নাম মুখে আনেননি অমিত শাহ। তবে কটাক্ষ করে বলেন, “আমি জানি, আমার বিরুদ্ধে ফের মামলা করবে তৃণমূল। কিন্তু মমতাজিকে বলছি, একটা নয়,দয়া করে আমার বিরুদ্ধে দুটো মামলা করবেন। আপনি আমার বয়সে বড়। ওটা আমার জন্য আশীর্ব্বাদ হবে। এবং ওই আশীর্ব্বাদ মাথায় নিয়ে বাংলা দখল করে দেখাব।”