
শেষ আপডেট: 16 December 2020 10:28
নিজে হাতেই ইস্তফা পত্র লিখেছেন এই দাপুটে নেতা। প্রথা হল, ইস্তফাপত্রে কোনও কারণ বা শর্ত লেখা যায় না। তা হলে সেই ইস্তফাপত্র গৃহীত হয় না। শুভেন্দুও সোজাসুজিই লিখেছেন যে, তিনি বিধানসভার সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন।
তবে যে হেতু তিনি স্পিকারের সামনে গিয়ে তাঁর হাতে ইস্তফাপত্র পেশ করেননি, ফলে এই ইস্তফাপত্র স্পিকার নাও গ্রাহ্য করতে পারেন।
একুশ সালের গোড়ায় বিধানসভা ভোট আসন্ন বাংলায়। তার আগে এদিন সম্ভবত সব থেকে উল্লেখযোগ্য ঘটনাটি ঘটে গেল রাজ্য রাজনীতিতে। শুভেন্দুর ইস্তফার সঙ্গে সঙ্গে বাংলায় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস বড় রকমের ভাঙনের মুখে পড়ল বলে মনে করা হচ্ছে।
https://twitter.com/TheWallTweets/status/1339157157359456263?s=08
প্রবীণ সাংবাদিক তথা উত্তরপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমকে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরবর্তী প্রজন্মে তৃণমূলে সব থেকে বড় নেতা হলেন শুভেন্দু অধিকারী। দলের মধ্যে ও বাইরে ওঁর অনেক ফলোয়ার রয়েছে (পরে তিনি অবশ্য বলেছিলেন, আমার বক্তব্যের অপব্যাখ্যা করা হচ্ছে)।
তবে পর্যবেক্ষকদের অনেকে মনে করছেন, শুভেন্দুবাবুর দল তৃণমূল ত্যাগ কেবল একজনের ইস্তফা হিসেবে দেখলে হয়তো ভুল হবে। কারণ, শুভেন্দুর নিজস্ব জনভিত্তি রয়েছে। দুই মেদিনীপুর ও জঙ্গলমহল তো বটেই রাজ্যের কম-বেশি প্রায় সব জেলাতেই তাঁর অনুগামী রয়েছেন। হতে পারে, তাঁর ইস্তফার সঙ্গে সঙ্গে আরও কিছু বিধায়ক ও ছোট, মাঝারি নেতার তৃণমূল ছেড়ে বেরিয়ে আসা এখন সময়ের অপেক্ষা।
তাৎপর্যপূর্ণ হল, এদিন শুভেন্দু যখন বিধানসভায় পৌঁছেছেন তাঁর সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেসের সাংসদ সুদীপ মুখোপাধ্যায়। শুভেন্দু যুব তৃণমূল সভাপতি পদে থাকার সময় থেকে সুদীপ ছিলেন তাঁর অনুগামী। তিনি শুভেন্দুর রাজনৈতিক পথ অনুসরণ করবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
দেখুন ভিডিও।
https://www.youtube.com/watch?v=mpriM8gp6K8