বর্ষা শুরু হতেই বারাসতে ডেঙ্গির আশঙ্কা, নীচু এলাকা থেকে জল নামানোর ব্যবস্থা হচ্ছে, বললেন পুরপ্রধান
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বর্ষা পড়তে না পড়তেই উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতে ডেঙ্গির আশঙ্কায় চিন্তিত বাসিন্দারা। গত বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালে বারাসতে ডেঙ্গির প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছিল। তাই এবার বর্ষা পড়তেই চিন্তায় পড়েছেন এলাকার মানুষজন।
এ বছর একেই করোনাভাইর
শেষ আপডেট: 16 June 2020 14:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বর্ষা পড়তে না পড়তেই উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতে ডেঙ্গির আশঙ্কায় চিন্তিত বাসিন্দারা। গত বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালে বারাসতে ডেঙ্গির প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছিল। তাই এবার বর্ষা পড়তেই চিন্তায় পড়েছেন এলাকার মানুষজন।
এ বছর একেই করোনাভাইরাস মহামারীর আকার ধারণ করেছে। এর উপরে যাতে ডেঙ্গির প্রকোপ না বাড়ে সেজন্য শুরু থেকেই সতর্ক প্রশাসন। রাজ্য সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী পুর এলাকা ও পঞ্চায়েত এলাকায় ডেঙ্গি সচেতনতা ক্যাম্প তৈরি করা হচ্ছে। বারাসত পুরসভার বেশ কয়েকটি অঞ্চলে জল জমতে শুরু করেছে। ফলে অন্য সমস্যার পাশাপাশি বাড়ছে মশা, মাছি ও সাপের উপদ্রব। তাতে আতঙ্কিত এলাকার লোকজন।
বারাসতের পুরপ্রধান সুনীল মুখোপাধ্যায় এদিন বলেন, “ডেঙ্গি মোকাবিলায় পুরসভা সব রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বেশ কয়েকটি এলাকায় নিচু জমি রয়েছে। সেই সব জায়গায় প্রতি বর্ষাতেই জল জমে। সেখান থেকে পাম্পের মাধ্যমে জমা জল বার করার চেষ্টা করা হচ্ছে।”

শুধু বারাসত পুর এলাকা নয়, গত বছর উত্তর ২৪ পরগনা জেলার দেগঙ্গা, বাদুরিয়া, হাবড়া, আশোকনগর, গাইঘাটা, বনগাঁ, ব্যারাকপুর, সল্টলেক, লেকটাউন ও দমদম সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ডেঙ্গি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছিল। বেশ কয়েক জনের মৃত্যু হয়েছিল ডেঙ্গিতে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হস্তক্ষেপ করতে হয় নবান্নকে। এবছর বর্ষার এক মাস আগে ডেঙ্গির প্রাদুর্ভাব নিয়ে জেলার নেতাদের সতর্ক করেছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভিডিও কনফারেন্সে তিনি ডেঙ্গির ব্যাপারে সতর্ক করেন জেলা সভাপতিদের। করোনার মধ্যে যাতে ডেঙ্গির প্রাদুর্ভাব না বাড়ে সে জন্য জেলার নেতাদের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “করোনা রুখতে যা যা করণীয় তা করুন। সরকারও সব রকম ব্যবস্থা নিচ্ছে। কিন্তু এর মধ্যে ডেঙ্গির প্রকোপ যাতে না হয় সেদিকে নজর রাখুন।”
প্রত্যেক বছর ডেঙ্গি রোধে গাফিলতির অভিযোগ পাওয়া নিয়ে কনফারেন্সে উষ্মা প্রকাশ করেন তিনি। কোনও গাফিলতি বরদাস্ত করবেন না বলেও সতর্ক করে দেন গত মাসের গোড়ায়।