
শেষ আপডেট: 1 February 2019 18:00
বাংলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ-র সভার জন্য বিজেপি যখন বারবার জমি বা মাঠ নিয়ে সংকটে পড়ছেন, তখন এ ঘটনা ব্যতিক্রম বইকি।
সিপিএমের অভিযোগ, তৃণমূল জবরদস্তি করে বাস নিতে দিচ্ছে না। বাস মালিকদের হুমকি দিয়ে বলা হয়েছে, ব্রিগেডের দিন বাস দিলে পরের দিন থেকে রুটে চলতে দেবে না। তাই বাধ্য হয়েই রেলের কাছে আবদেন জানানো হয় বলে জানিয়েছেন হুগলি জেলা সিপিএম-এর শীর্ষ নেতৃত্ব।
পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজনৈতিক সভার জন্য ভাড়ায় ট্রেন দেওয়া বা অনুরোধের ভিত্তি পরিষেবার বাড়ানোর রীতি এ দেশে নতুন নয়। বরং বহু বছর ধরে চলছে। সেক্ষেত্রে রাজনৈতিক বৈরীতা কখনও বাধা হয়নি। বরং বিরোধী দলের সভার জন্য মাঠ না দেওয়া বা বাস মালিকদের হুমকি দেওয়ার সংস্কৃতি একেবারেই নতুন। ফলে পূর্ব রেল যা করেছে, তা নতুন কিছু নয়, বা এতে বৃহৎ হৃদয়েরও পরিচয় দেয়নি। রেলের যেটা করার ছিল তাই করেছে। ব্রিগেডগামী জনতারও উচিত হবে সেদিন নিয়মমতো টিকিট কেটেই ট্রেনে ওঠা।
তবে শাসক দল বামেদের ওই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। তৃণমূলের এক মুখপাত্রের কথায়, "লোক হবে না বুঝতে পেরে সিপিএম কাঁদুনি গাইতে শুরু করেছে"। তিনি এও বলেন, "দিদি তো আগেই বলেছেন, রাম ও বাম এখন এক হয়েছে। দিল্লি থেকে এলো রাম সঙ্গে জুড়ে গেল বাম।"
আবার বিজেপি নেতারা তৃণমূলকে পাল্টা খোঁচা দিতে ছাড়েননি। গেরুয়া শিবিরের এক নেতার কথায়, "তৃণমূল দেখে শিখুক গণতন্ত্র কাকে বলে। বামেরা আমাদের বিরুদ্ধে, নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে সমাবেশ করবে, আর মোদীর হাতে থাকা রেল স্পেশাল ব্যবস্থা করছে। এটাই গণতন্ত্র। বিরোধীদের সভা করতে মাঠ দেব না, স্থানীয় থানার ওসি তৃণমূলের ব্লক সভাপতির মতো আচরণ করবেন,-সেটা স্বৈরাচার, গণতন্ত্র নয়।"