
শেষ আপডেট: 24 January 2019 08:02
বুধবার রাতে ডানকুনি টোল প্লাজায় এমন ঘটনা আবার দেখেছেন বলে দাবি সৌমিত্রর। চটপট নিজের মোবাইলে ছবি তুলে রাখেন দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীদের। তবে কেবল ডানকুনি নয়, বিটি রোডের উপর কাশীপুর এবং পাইকপাড়াতেও এ ভাবেই নাকি তোলা আদায় করে পুলিশ। এমনটাই অভিযোগ করেছেন সৌমিত্র। তবে এখানেই থামেননি তিনি। গায়ক আরও বলেন, "আমি উর্দিধারীদের সম্মান করি। কিন্তু কয়েকজন পুলিশকর্মীদের জন্য রাস্তাঘাটে তীব্র যানজট তৈরি হয়। অনেক সময়েই আটকে পড়ে অ্যাম্বুলেন্স। বিপাকে পড়েন নিত্যযাত্রীরাও।"
মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় সৌমিত্র-র এই পোস্ট। তাঁর পোস্টের কমেন্ট বক্সে এসে অনেকেই ওই পুলিশকর্মীদের কড়া শাস্তির দাবিও জানিয়ে যান। প্রশাসনিক মহল থেকে আম জনতা সবার মধ্যেই শুরু হয় জল্পনা। আর এই জল্পনার মধ্যেই নিজের ফেসবুক পোস্টটি ডিলিট করে দেন সৌমিত্র। এ বিষয়ে দ্য ওয়াল-এর তরফ থেকে গায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি বলেন, "একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে এই সমস্যাটা আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরেছিলাম। এর পিছনে কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না। তবে অনেকেই ভাবছেন আমার এই পোস্টের পিছনে কোনও রাজনৈতিক অভিসন্ধি রয়েছে। আমি এসব ঝামেলায় জড়াতে চাই না। তাই পোস্ট তুলে নিয়েছি।" এই একই কথা লিখে ফেসবুকেও একটি পোস্ট করেছেন সৌমিত্র।
২০১৪ সালে শাসক গোষ্ঠীর হয়েই লোকসভা নির্বাচনে উত্তর মালদহ থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন সৌমিত্র। এ বার রাজ্যের প্রশাসনিক অব্যবস্থা নিয়েই মুখ খুলেছেন তিনি, যেটা কার্যত শাসক দলের বিরুদ্ধেই সমালোচনার সমান। তাই গায়ক যতই আম জনতার একাংশের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে সাফাই গান না কেন, রাজনৈতিক মহল বলছে অন্য কথা। বিরোধী দলের অনেকের মতেই "ঝোঁকের মাথায় সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে ফেলেছিলেন সৌমিত্র। হুঁশ ফিরতেই বুঝেছেন সমস্যা হতে পারে। তাই সাত তাড়াতাড়ি ডিলিট করে দিয়েছেন ওই পোস্ট।"