দ্য ওয়াল ব্যুরো: চিকিৎসা করাতে গিয়ে চেন্নাইয়ে আটকে পড়া প্রায় দু'হাজার মানুষের পাশে দাঁড়ালেন রাজ্যের পরিবহণ ও সেচমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে লকডাউন ঘোষণা হওয়ায় চেন্নাইয়ে চিকিৎসা করাতে গিয়ে আটকে রয়েছেন তাঁরা। যাঁদের আর্থিক সঙ্গতি রয়েছে তাঁরা প্রায় লক্ষ টাকা খরচ করে দক্ষিণ ভারতের শহরটি থেকে রাজ্যে ফিরেছেন। কিন্ত লকডাউনে বিভুঁইয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়া অধিকাংশ বাঙালি পরিবারের সেই সঙ্গতি নেই। একটি সূত্র মারফত আটকে পরা পরিবারগুলি যোগাযোগ করে নন্দীগ্রামের বিধায়কের সঙ্গে। তারপর উদ্যোগ নেন শুভেন্দু।
তামিলনাড়ু সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাইরের রাজ্য থেকে চেন্নাই বা ভেলোরের মতো জায়গায় যাঁরা চিকিৎসা করাতে এসে আটকে পড়েছেন তাঁদের থাকা এবং তিনবেলা খাওয়ার খরচ সরকার দেবে। কিন্ত দ্বিতীয় দফার লকডাউনে সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেয় ইকে পালানিস্বামী সরকার। বদলে একবেলা খাওয়ার খরচ এবং হোটেল বা অতিথি নিবাসের ৫০ শতাংশ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করে।
চিকিৎসা করাতে গিয়ে টাকা পয়সা প্রায় ফুরোনোর মুখে। শুভেন্দুর কাছে অনুরোধ করা হয় ট্রেনে যদি ফিরিয়ে আনা যায় তাঁদের। কিন্ত পরিবহণমন্ত্রী তাঁদের বোঝান রেল তাঁর বা রাজ্য সরকারের হাতে নেই। এটা কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যাপার। এরপর পরিবার পিছু একজনের অ্যাকাউন্ট নম্বর নিয়ে তাঁদের টাকা পাঠানোর বন্দোবস্ত করেন তৃণমূলের এই তরুণ নেতা। যাতে ৩ মে পর্যন্ত তাঁরা তিনবেলা খাওয়াদাওয়া করতে পারেন এবং হোটেলের বিল মেটাতে পারেন তার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠরা।
মঙ্গলকোট থেকে বীরভূম, ব্যারাকপুর থেকে বাঁকুড়া রাজ্যের বিভিন্ন জেলার কয়েকশো পরিবার আটকে রয়েছেন চেন্নাইয়ে। পরিবহণমন্ত্রীর সাহায্য পেয়ে আপাতত স্বস্তিতে চিকিৎসা করাতে যাওয়া পরিবারগুলি।