দ্য ওয়াল ব্যুরো: দুপুরে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার থেকে মুক্তি। রাতে রিপোর্ট আসতেই জানা গেল তাঁরা করোনা পজিটিভ। তাই ডুয়ার্সের হিলা চা বাগানে নতুন করে ১৫ জনকে পাঠানো হল কোয়ারেন্টাইনে। স্বভাবতই প্রশ্নের মুখে প্রশাসন।
ডুয়ার্সের নাগরাকাটার হিলা চা বাগানের দুই বাসিন্দা গত ১৫ মে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর থেকে জেলায় ফিরেছিলেন। তাঁরা ইন্দোরে শ্রমিকের কাজ করতেন। শনিবার তাঁদের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে।
রাজ্যে আসার পর থেকেই তাঁরা ছিলেন নাগরাকাটার কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে। আচমকাই সোমবার বেলা তিনটে নাগাদ তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। তখন তাঁরা চলে যান হিলা চা বাগানে নিজেদের বাড়িতে। সেখানে এসে তাঁদের সঙ্গে দেখা করেন ওই চা বাগানের বেশ কয়েক জন বাসিন্দা। রাতে তাঁদের কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট আসার পরে দু’জনকে বাগান থেকে তুলে জলপাইগুড়ির কোভিড হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। এখানেই প্রশ্ন উঠছে রিপোর্ট আসার আগেই কেন তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হল।
উত্তরবঙ্গের করোনা মোকাবিলায় অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি তথা চিকিৎসক সুশান্ত রায় বলেন, “এঁদের সংস্পর্শে আসা ১৫ জনকে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের লালারস সংগ্রহ করা হয়েছে।” সোমবারই হিলা চা বাগানকে কনটেনমেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়েছে। নাগরাকাটার বিডিও স্মৃতি সুব্বা যান ওই চা বাগানে। চা বাগানটি স্যানিটাইজ করা হয়। এলাকাকে কন্টেনমেন্ট জোন ঘোষণা করার পাশাপাশি ওই দুজনের সংস্পর্শে যাঁরা এসেছিলেন তাঁদেরও চিহ্নিত করে কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। তবে রিপোর্ট আসার আগে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া নিয়ে কেউ কোনও মন্তব্য করেননি।
গত ২৪ ঘণ্টায় পূর্ব বর্ধমানেও একই ঘটনা ঘটেছে। কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্র থেকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়ার পরে বেশ কয়েক জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।