দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের টেনোহরিতে মঙ্গলবার বাবাকে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল ছেলের বিরুদ্ধে। নিহতের নাম মারণচন্দ্র দাস, বয়স ৬৪ বছর। অভিযুক্ত নীলকান্ত তাঁর ছোট ছেলে। মারণচন্দ্রকে বাঁচাতে এসে দায়ের আঘাতে আহত হয়েছেন নীলকান্তর মা মালতিরানি দাস। কী কারণে এই খুন তা নিয়ে ধন্দে পুলিশ।
মালতিরানির বয়ান অনুযায়ী মঙ্গলবার সকালে তিনি দেখেন তাঁর স্বামী মরণচন্দ্র দাসকে দা গিয়ে কোপাচ্ছে তাঁদের ছোট ছেলে নীলকান্ত। স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে হাতে দায়ের কোপ লাগে মালতির। রক্তাক্ত অবস্থায় বাবাকে ফেলে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় নীলকান্ত।
তার আগেই অবশ্য মারণচন্দ্রের আর্তনাদ শুনে আশপাশের বাড়ি থেকে লোকজন বেরিয়ে আসেন। এসে দেখেন দরজার সামনেই পড়ে আছে মরণচন্দ্র দাসের নিথর রক্তাক্ত দেহ। তখনও অভিযুক্ত ঘটনাস্থলে ছিল তবে তাকে আটকাতে কেউ সাহস পাননি। প্রতিবেশীরা রায়গঞ্জ থানায় খবর দেন। পুলিশ এসে মালতিরানির বয়ান রেকর্ড করে। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় অভিযুক্ত নীলকান্ত দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেয় রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতালে। পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে অভিযুক্ত নীলকান্তর মানসিক সমস্যার চিকিৎসা চলছিল।
পেশায় কৃষিজীবী মরণচন্দ্রের বড়ছেলে শ্রমিক। লকডাউনের ফলে তিনি দিল্লিত আটকে পড়েছেন। তাঁর পুত্রবধূ ও নাতি গ্রামের বাড়িতেই থাকেন। অভিযুক্ত নীলকান্ত তাঁর ছোট ছেলে। আহত মালতিরানিকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়েছে।