দ্য ওয়াল ব্যুরো: দার্জিলিংয়ের কাছে মংপুতে অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জন্মদিনে স্মরণ করা হল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। লকডাউন চলায় এদিন সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অল্প কয়েক জন লোক কবিগুরুর মূর্তিতে মালা দেন।
রবীন্দ্র মেমোরিয়াল ওয়েলফেয়ার সেন্টারের সদস্যদের পাশাপাশি এদিন উপস্থিত ছিলেন জাতীয় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের অধীন তিস্তা লো ড্যাম প্রোজেক্ট স্টেজ থ্রির আধিকারিকরা। রবীন্দ্রনাথের মূর্তিতে মালা দেওয়ার পাশাপাশি তাঁরা খাদা পরিয়েও তাঁকে শ্রদ্ধা জানান। মংপুতে রবীন্দ্র স্মৃতি বিজড়িত জাদুঘরেও এদিন তাঁকে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
১৯৩৮ সাল থেকে ১৯৪০ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে দার্জিলিংয়ের উপকণ্ঠে এই জায়গায় এসে থেকেছেন রবীন্দ্রনাথ। তাঁর বন্ধু সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্তের মেয়ে মৈত্রেয়ী দেবীর আমন্ত্রণে তিনি এখানে আসতেন। মৈত্রেয়ী দেবীর স্বামী মনমোহন সেন ছিলেন বিজ্ঞানী। সিঙ্কোনা নিয়ে তিনি গবেষণা করতেন। বিবাহসূত্রেই মংপুতে যান মৈত্রেয়ী দেবী। রবীন্দ্রনাথ যে বার কালিম্পংয়ে গিয়েছিলেন সেবার তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন মৈত্রেয়ী দেবী। এখানে থেকে রবীন্দ্রনাথ ১২টি কবিতা লিখেছিলেন।
মংপুতে এখনও রবীন্দ্রনাথের ব্যবহার করা আসবাব রয়েছে। তাঁর হাতের লেখাও সেখানে সযত্নে রক্ষিত আছে।