আসানসোল জেলা হাসপাতালে সদ্যোজাতর মৃত্যু, গাফিলতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ পরিবারের
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম বর্ধমান: ফের এক সদ্যোজাতর মৃত্যুর পর সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুললেন পরিবারের সদস্যরা। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল জেলা হাসপাতালে।
জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে আসানসোল জেলা
শেষ আপডেট: 20 August 2020 14:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পশ্চিম বর্ধমান: ফের এক সদ্যোজাতর মৃত্যুর পর সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুললেন পরিবারের সদস্যরা। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল জেলা হাসপাতালে।
জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে আসানসোল জেলা হাসপাতালে এক সদ্যোজাতর মৃত্যু হয়। এরপরেই উত্তেজনা ছড়ায় হাসপাতাল চত্বরে। হাসপাতালের গাফিলতিতেই তিন দিন আগে জন্ম নেওয়া ছেলের মৃত্যু হয়েছে, এমনটাই অভিযোগ তুলতে থাকে বাচ্চাটির পরিবার।
বনশ্রী সাধু নামের এক মহিলা জানিয়েছেন, তিন দিন আগে আসানসোল জেলা হাসপাতালে সিজার করে ছেলের জন্ম দেন তাঁর মেয়ে শিপ্রা খাঁ। তারপর থেকে ভালই ছিল বাচ্চাটি। কিন্তু বুধবার রাতে ফের হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়ে বাচ্চাটি। বৃহস্পতিবার সকালে নাকি হাসপাতালের তরফে তাঁদের ফোন করে বলা হয়, বাচ্চাটির সুগার লেবেল খুব কমে গিয়েছে। তারপর সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ তাঁদের জানানো হয়, মারা গিয়েছে সদ্যোজাত।
পরিবারের অভিযোগ, জন্মের পরে বাচ্চাটিকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল হাসপাতালের তরফে। তারপরেই বাচ্চাটি অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। কিন্তু চিকিৎসক তাঁদের সেকথা জানাননি। এমনকি অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়ার পরামর্শও দেননি। তার ফলে বুধবার পর্যন্ত সুস্থ বাচ্চা হঠাৎ করে মারা গিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বনশ্রী সাধু। হাসপাতালের চিকিৎসকরা একটু নজর দিলে এভাবে তাঁদের পরিবারের নতুন অতিথিকে হারাতে হত না বলেই অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা।
এই বিষয়ে হাসপাতালের সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে বাচ্চাটির পরিবারের তরফে। হাসপাতালে বিক্ষোভ হওয়ায় ঘটনাস্থলে আসে আসানসোল- দুর্গাপুর পুলিশ। তাদেরকেও পুরো ঘটনা খুলে বলেন বাচ্চাটির পরিবারের সদস্য। যদিও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে কিনা এখনও জানা যায়নি।
বিক্ষোভের পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ১৬ অগস্ট ডামড়ার বাসিন্দা সিন্টু খাঁর স্ত্রী শিপ্রা খাঁ প্রসূতি বিভাগে ভর্তি হন। ১৬ তারিখই সিজার হয়ে ছেলের জন্ম দেন তিনি। ১৭ অগস্ট বাচ্চাটির কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা যায়। তাই এসএনসিইউ বিভাগে ভর্তি করা হয় তাকে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তার চিকিৎসাও করছিলেন। কিন্তু শিশুটিকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। বাচ্চাটির মৃত্যুর পরে তার পরিবারের তরফে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।