দ্য ওয়াল ব্যুরো: সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হচ্ছে কিনা এবং লকডাউন মানা হচ্ছে কিনা তা দেখতে বসিরহাটের নতুন বাজার, পুরাতন বাজার, ময়লাখোলা, খোলাপোতা ও মাটিয়া বাজারে টহল দেওয়া শুরু করেছে বসিরহাট জেলা পুলিশ। নিয়ম ভাঙায় এদিন মোট তিরিশ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় কোভিড-১৯ শুধু নয়, এর আগে ডেঙ্গির প্রকোপও ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়ায় উষ্মা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরে শনিবার সকাল থেকেই এব্যাপারে তৎপরতা দেখা গেল বসিরহাট পুলিশ জেলা ও ব্যারাকপুর কমিশনারেটে।
এদিন সকাল থেকে টহল দিতে গিয়ে পুলিশ দেখেছে যে লোকে বাজারে ভিড় করছেন সেই একই ভাবে যেমনটা হত পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকার সময়ে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার যে নিয়ম করা হয়েছে তাও লোকে মানছেন না। লোকে যাতে নিয়ম মেনে চলেন সেজন্য পুলিশ বাহিনী ও র্যাফ নিয়ে বাজারগুলিতে টহল দেন পুলিশ সুপার শঙ্করপ্রসাদ বারুই, পুলিশ আধিকারিক অভিজিৎ সিনহা মহাপাত্র ও আইসি প্রেমাশিস চট্টরাজ প্রমুখ। যাঁরা নিয়ম মানছেন না তাঁদের গ্রেফতার করতে শুরু করেছে পুলিশ।
বসিরহাট পুলিশ প্রশাসন এখন চাইছে যেকোনও ভাবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে। প্রায় চার সপ্তাহ হতে চলল দেশজুড়ে লকডাউন চলছে। কেন্দ্রীয় সরকার থেকে পুরসভা ও পঞ্চায়েত স্তর পর্যন্ত প্রশাসনের সব মহল সাধারণ মানুষকে সতর্ক করার চেষ্টা করে চলেছে। কিন্তু তার পরেও যাঁরা সতর্ক হচ্ছেন না তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতেই হচ্ছে। বসিরহাট থানা বিভিন্ন এলাকা থেকে এদিন তিরিশ জনকে গ্রেফতার করেছে লকডাউনের নিয়ম ভাঙায়।
সোদপুর লাইন বাজার বন্ধ করে সেই বাজারটি এদিন তুলে আনা হয়েছে সোদপুর স্টেশন রোডে যাতে প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে যাঁরা বাজারে আসছেন তাঁরা নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে পারেন। এদিন সোদপুর ট্রাফিক পুলিশের উদ্যোগে মাইকিং করে বাজারে আসা সমস্ত ক্রেতা ও বিক্রেতাকে সতর্ক করা হয়।
ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে এদিন লিফলেট বিলি করে সাধারণ মানুষকে সচেতন করেন পুলিশকর্মীরা। সোদপুরের ওসি (ট্রাফিক) রামপ্রসাদ মণ্ডল বলেন, “নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার জন্য আমরা যেভাবে চেষ্টা করছি তাতে সাধারণ মানুষ খুশি।”