দ্য ওয়াল ব্যুরো: লকডাউন মানুন, বাড়িতে থাকুন, সুস্থ থাকুন। এই বার্তা এখন বসিরহাটের রাস্তার উপরে লিখে দিচ্ছে পুলিশ। বসিরহাট মহকুমার বসিরহাট এক নম্বর ব্লকের বিডিও তাপস কুণ্ডুর নির্দেশে ইটিণ্ডা ও টাকি রোডের উপর রং তুলি দিয়ে সচেতনতার বার্তা দিচ্ছে পুলিশ।
করোনা সংক্রমণের নিরিখে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা এখন যথেষ্ট মাথাব্যথার কারণ সরকারের কাছে। এই জেলাকে ১৫ দিনের মধ্যে ভালো অবস্থায় নিয়ে যেতে প্রশাসনকে তৎপর হতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই এখানে প্রশাসন তৎপর হয়ে উঠেছে। ২ নম্বর রাজ্য সড়ক টাকি রোড ও ইটিণ্ডা রোডের উপরে এদিন বার্তা লিখতে দেখা গেল পুলিশ কর্মীদের। সব লিখনই করোনা থেকে সতেচন হওয়ার বার্তা।
এর আগে দেখা গিয়েছিল সচেতনতার বার্তা দিতে কখনও গোলাপ ফুল দিচ্ছেন পুলিশকর্মীরা। কখনও দেখা গেছে তাঁরা খোলা মঞ্চে গান গাইছেন। এবার দেখা গেল রাস্তার উপর রং তুলি দিয়ে ফুটিয়ে তুলছেন সচেতনতার বার্তা। বসিরহাটের মহকুমা প্রশাসন আজ সোমবার সকাল থেকে ইছামতি ব্রিজের কাছে মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহারের বার্তাও দিয়েছে।
পথে বার্তা লেখার সময় বসিরহাটের এসআই (ট্রাফিক) প্রবীর সান্যাল বলেন, “সকাল দশটা অবধি সময় দেওয়া হয়েছে। অনেকে তার পরেও বেরচ্ছেন। তাই লোককে এগুলো বোঝানোর চেষ্টা করছি। মনে করছি যে এই লেখা দেখলে হয়তো মানসিকতার পরিবর্তন আসবে।”
ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তোলার নামে মানুষ যে নিরাপদ দূরত্বের বিধি মানছে না তা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি নবান্ন থেকে ঘোষণা করেছিলেন, পুলিশকে প্রথমে মানুষকে বোঝাতে হবে। তা না হলে কঠোর হাতে পদক্ষেপ করতে হবে। সেই মতো আজ সোমবার সকাল থেকে বসিরহাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার কঙ্করপ্রসাদ বারুই ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চন্দন ঘোষ হাজির হয়ে যান শহরের প্রাণকেন্দ্রে। সেখানে বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাঙ্কে সারপ্রাইজ ভিজিট করেন। তাঁরা নিজেরাই মানুষকে সামাজিক দূরত্বের বিভিন্ন রীতি নীতি বোঝান। পুলিশসূত্রে খবর, আগামী দিনেও এই ভাবে প্রচার করা হবে, প্রয়োজনে আরও কঠোর হবে প্রশাসন।