দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবার গভীর রাতে রায়গঞ্জ গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজের করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন এক ভিনরাজ্যের রোগী। পুলিশ, দমকল বাহিনী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের দীর্ঘ চেষ্টার ফলে ওই রোগীকে আবার ওয়ার্ডে ফেরাতে সক্ষম হয় হাসপাতাল প্রশাসন।
দীর্ঘ নাটকের অবসান হলেও ওই রোগীর পালানোর চেষ্টার বিষয়টি জানাজানি হতেই আতঙ্ক ছড়ায় মেডিক্যাল কলেজ চত্বরে। যদিও মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে ওই রোগী আইসোলেশন ওয়ার্ডে থাকলেও এখনও তাঁর করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসেনি।
শুক্রবার রাত ১০টার পরে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে উত্তরপ্রদেশের এক রোগী পালানোর চেষ্টা করেন। ওই রোগীকে করোনা সন্দেহে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখেছেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা। ১২ দিন আইসোলেশন ওয়ার্ডেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। এর মধ্যে শুক্রবার গভীর রাতে মেডিক্যাল কলেজের তিন তলার আইসোলেশন ওয়ার্ডের জানলার কার্নিশ বেয়ে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। সেই মুহূর্তেই হাসপাতালে থাকা সুরক্ষা কর্মী ও পুলিশবাহিনী বিভিন্ন দিক থেকে ওই রোগীকে ঘিরে ফেলেন। তখনও তিনি কার্নিশেই।
রায়গঞ্জ পুরসভার চেয়ারম্যান সন্দীপ বিশ্বাস হাসপাতাল চত্বরে চলে আসেন। খবর যায় রায়গঞ্জ থানা ও রায়গঞ্জের দমকল কর্মীদের কাছে। সকলের মিলিত চেষ্টায় প্রায় আড়াই ঘণ্টা চেষ্টার পরে ওই রোগীকে উদ্ধার করে ফের আইসোলেশন ওয়ার্ডে পাঠানো হয়৷
ওই রোগী জানিয়েছেন যে জ্বর ও মুখ দিয়ে রক্ত পড়ার উপসর্গ নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। এদিন ভুল করে কার্নিশ দিয়ে নেমে পড়েছিলেন। রায়গঞ্জ সরকারি মেডিক্যাল কলেজের অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার অভীক মাইতি বলেন, “সম্ভবত মানসিক সমস্যার জন্য আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে ওই রোগী পালাতে চাইছিলেন। আমরা ওঁর কাউন্সেলিং করাব। আইসোলেশন ওয়ার্ডে থাকলেও ওই রোগীর করোনা পজিটিভের কোনও রিপোর্ট নেই।