দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: সরকারি দফতরের বারান্দায় উদ্ধার হল নাইট গার্ডের ঝুলন্ত দেহ। এই ঘটনার পরেই উত্তেজনা ছড়িয়েছে ওই এলাকায়। কী ভাবে এই ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার পূর্ত দফতরের সহকারি ইঞ্জিনিয়ারের অফিসে। বসিরহাট থানার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মুনসেপ পাড়ায় ইটিন্ডা রোডে রয়েছে ওই পূর্ত দফতরের ওই সহকারি ইঞ্জিনিয়ারের অফিস। সেখানেই বুধবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে এই দৃশ্য দেখতে পান কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। তাঁরা দেখেন, সরকারি দফতরের বারান্দায় ঝুলছে এক ব্যক্তির দেহ। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় পুলিশে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সকাল সকাল ওই দৃশ্য দেখে প্রথমে তাঁরা খানিকটা ঘাবড়ে গিয়েছিলেন। যদিও তারপরে পুলিশে খবর দেন তাঁরা। পুলিশের তরফে ওই অফিসের দায়িত্বে থাকা সহকারি ইঞ্জিনিয়ারকে ডেকে পাঠানো হয়। সেখানে আসেন অফিসের অন্যান্য কর্মীরাও। এই ঘটনার পরে স্থানীয় বাসিন্দারাও সেখানে ভিড় জমান।
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত ব্যক্তির নাম পটল সরকার। তাঁর বয়স ৫২ বছর। অফিসের বারান্দায় পাখার সঙ্গে গলায় দড়ি বাঁধা অবস্থায় তাঁর দেহ ঝুলছিল। পটলবাবুর বাড়ি বসিরহাটের সাই পাড়ায়। তিনি পূর্ত দফতরের সহকারি ইঞ্জিনিয়ারের অফিসে বহুদিন ধরেই অস্থায়ী নাইট গার্ডের কাজ করতেন।
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই সহকারি ইঞ্জিনিয়ারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার সঙ্গে যাঁরা দেহটি প্রথম দেখেছিলেন তাঁদের ও সরকারি অফিসের আশেপাশে যে বাড়িগুলি রয়েছে তাদের বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। খতিয়ে দেখা হচ্ছে অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ। এছাড়া পটলবাবুর ফোনের কল লিস্টও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, দেহটিকে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে দেখে মনে হচ্ছে আত্মহত্যা করেছেন ওই কর্মী। কিন্তু অন্য সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না তারা। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে মৃত্যুর কারণ বোঝা যাবে। কী কারণে ওই ব্যক্তি মারা গেলেন তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।