শিশুবলির অভিযোগে গ্রেফতার 'নাবালক' তান্ত্রিক, চাঞ্চল্য খড়্গপুরে
দ্য ওয়াল ব্যুরো : প্রসাদ খাওয়ানোর নাম করে ডেকে এক শিশুকে বলি দেওয়ার অভিযোগ উঠল এক নাবালক তান্ত্রিকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে খড়্গপুরে। গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত তান্ত্রিক ও তার পরিবারকে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
পুলিশ সূত্রে খবর,
শেষ আপডেট: 22 September 2019 11:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো : প্রসাদ খাওয়ানোর নাম করে ডেকে এক শিশুকে বলি দেওয়ার অভিযোগ উঠল এক নাবালক তান্ত্রিকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে খড়্গপুরে। গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত তান্ত্রিক ও তার পরিবারকে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাটি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়্গপুর থানার নিরঞ্জনবাড় এলাকার। শনিবার বিকেল থেকে রুদ্র নায়েক ( ৭ ) নামের এক শিশুকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বিকেল গড়িয়ে রাত নামলে রুদ্রর মা-বাবা পাশের স্বপন নায়েকের বাড়ি যান। গ্রামের সবাই জানত স্বপনের নাবালক ছেলে রতন তন্ত্র সাধনা করে।
পুলিশ জানিয়েছে, সেখানে গিয়ে রতনকে তাঁরা জিজ্ঞেস করেন রুদ্র কোথায়। কিছুক্ষণ পর নাকি ভর নামে রতনের শরীরে। সে জানায় রুদ্রকে দু'জন তুলে নিয়ে গেছে। কিন্তু রতনের কথায় বিশ্বাস হয়নি তাঁদের। তাঁরা বলেন, রুদ্রকে না এনে দিলে পুলিশ ডাকবেন। তখন নাকি রতন জানায় রুদ্র সেখানেই আছে। এ কথা শোনার পর ভিতরের ঘরে গয়ে তাঁরা রতনের গলাকাটা দেহ দেখতে পান।
সূত্রের খবর, রক্তাক্ত অবস্থায় রতনকে খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে ডাক্তাররা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর ছড়িয়ে যায় গোটা গ্রামে। গ্রামবাসীরা রতনের বাড়িতে চড়াও হন। খবর পেয়ে সেখানে আসে সাদাতপুর ফাঁড়ির পুলিশ। কোনও রকমে তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয় থানায়। রতন ও তার মা-বাবাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, রতন স্বীকার করেছে প্রসাদের লোভ দেখিয়ে সে রুদ্রকে ডেকে আনে। তারপর বলি দেয় তাকে।
তবে এই ঘটনায় এখনও এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে। রবিবার সকাল থেকেও চলছে বিক্ষোভ। ঘেরাও করা হয়েছে সাদাতপুর ফাঁড়ি। গ্রামবাসীদের দাবি, শুধু রতনের শাস্তি নয়, পরিবারকে গ্রামছাড়া করতে হবে। যতক্ষণ না তা হচ্ছে, ততক্ষণ অবরোধ করবেন তাঁরা।

https://www.four.suk.1wp.in/pujomagazine2019/