
শেষ আপডেট: 22 June 2020 04:20
কলেজের পাশে বেআইনি ভাবে চলছে নির্মাণ কাজ।[/caption]
স্থানীয় মানুষের অভিযোগের কথা মেনে নিয়েছেন বাঁকুড়া ১ নম্বর ব্লকের ভূমি কর্মাধ্যক্ষ সন্দীপ বাউড়ি। তিনি আবার তৃণমূলের বাঁকুড়া এক নম্বর ব্লকের সভাপতি। তিনি বলেন, “নয়ানজুলি ভরাট করে বাড়ি নির্মাণের যে অভিযোগ উঠেছে তা দেখার পরেই আমি বিডিওকে বলি একটা পঞ্চায়েত ও প্রশাসনের চোখেরর সামনে নয়ানজুলি ভরাট হয়ে যাচ্ছে। আপনি তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। কিন্তু জানি না এখনও পর্যন্ত কী কারণে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। আমার মনে হয় প্রশাসনের কোনও একজন আধিকারিকের মধ্যে কোথাও কোনও গলদ থেকে থাকলেও থাকতে পারে। জমিটি সরকারি হোক বেসরকারি হোক বা রায়তি হোক – নয়ানজুলি তো আর ভরাট হতে পারে না!”
স্থানীয় বাসিন্দা পার্থ মাদানী বলেন, “পর্চা অনুযায়ী এটা নয়ানজুলি। এক বছর আগে এখানে বড়বড় গাছ ছিল। এখন আর নেই। বুজিয়ে পাকা নির্মাণ হচ্ছে। কী করে কী হচ্ছে সেকথা পঞ্চায়েত থেকে বলতে পারবে।” এলাকার লোকজন বলছেন, পুয়াবাগান জুড়ে বেআইনি জমির কারবারে যুক্ত রয়েছে একশ্রেণীর জমি মাফিয়া। সিন্ডিকেট করে কোটি কোটি টাকার বেআইনি জমির কারবার চলছে ওই এলাকায়। জমি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্যে এখন নয়ানজুলি ভরাট করে চলছে নির্মাণ কাজ।
বাঁকুড়া ১ নম্বর ব্লকের বিডিও বিপ্লবকুমার রায়, "এই ধরনের অভিযোগ একটা এসেছিল। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ভূমি রাজস্ব দফতরকে খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। সেই রিপোর্ট এখনও হাতে আসেনি। পুরো বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।"