শেষ আপডেট: 18 March 2020 08:57
নবদ্বীপ এবং মায়াপুরে তীর্থযাত্রী কমে যাওয়ায় ফেরি চলাচলে তার প্রভাব পড়েছে। নবদ্বীপ ফেরিঘাটের সম্পাদক গোপাল দাস বলেন, “প্রতিদিন নবদ্বীপ থেকে মায়াপুরের মধ্যে পাঁচটি যন্ত্রচালিত নৌকা এবং তিনটি লঞ্চ চলাচল করে। পর্যাপ্ত সংখ্যক লোকজন না হওয়ায় বর্তমানে তিনটি নৌকা ও দু’টি লঞ্চ চলাচল করছে। প্রতিদিন ১৬৭ জন কর্মচারী ও তেল বাবদ খরচ হয় প্রায় নব্বই হাজার টাকা। কিন্তু তীর্থযাত্রীদের সংখ্যা কমে যাওয়ায় চরম আর্থিক সংকটে নবদ্বীপ জলপথ পরিবহণ সংস্থা।” তিনি বলেন, “শুনছি জনসংযোগ এড়াতে ইসকন মন্দির বন্ধ থাকবে। যদি তা বন্ধ হয়ে যায় তাহলে আমরা গভীর আর্থিক সংকটের মুখে পড়ব।”
এখন নবদ্বীপ ও মায়াপুরের রাস্তাঘাট কার্যত ফাঁকা। ক্ষতির মুখে পর্যটনশিল্প। যেসময়ে হোটেলে বুকিং পাওয়া মুশকিল হয় সেই সময়ে হোটেল ফাঁকা। পর্যটনস্থল যাঁরা ঘোরাতে নিয়ে যান তাঁরা তো বটেই সমস্যায় পড়েছেন বিভিন্ন জিনিসের ফেরিওয়ালা ও দোকানিরা। বছরের যেসময় সবচেয়ে ভাল ব্যবসা হয় সেই সময় পর্যটকরা মুখ ফেরানোয় তাঁরা এখন বেশ চিন্তিত।
ভিক্ষা করে যাঁরা দিন কাটান তাঁরাও মুশকিলে পড়েছেন। পুণ্যার্থী না আসায় তাঁদের ঝুলিতে ভিক্ষার টাকাও জমা পড়ছে না। সব মিলিয়ে স্থানীয় অর্থনীতি গভীর সঙ্কটে।