বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল, কোচবিহারে তুলকালাম
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল কোচবিহার শহর। লাঠি, বাঁশ নিয়ে প্রকাশ্য রাস্তায় চলল দুই গোষ্ঠীর মারামারি। সামাল দিতে নামাতে হল বিরাট পুলিশবাহিনী।
এই মুহূর্তে সারা রাজ্যেই বিজেপির সাংগঠনিক রদবদল চলছে। রাজ্য
শেষ আপডেট: 8 December 2019 12:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল কোচবিহার শহর। লাঠি, বাঁশ নিয়ে প্রকাশ্য রাস্তায় চলল দুই গোষ্ঠীর মারামারি। সামাল দিতে নামাতে হল বিরাট পুলিশবাহিনী।
এই মুহূর্তে সারা রাজ্যেই বিজেপির সাংগঠনিক রদবদল চলছে। রাজ্য বিজেপির তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় ফের কোচবিহারের জেলা সভাপতি করা হচ্ছে মালতি রাভাকে। কয়েকদিন আগেই রাজ্য নেতৃত্ব সে কথা জানিয়ে দেয়। রবিবার ছিল পুনর্নির্বাচিত জেলা সভাপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। অভিযোগ, মালতীদেবীর বিরোধী গোষ্ঠীর লোকজনই এদিনের অশান্তি করেছে।
গতকাল সংবর্ধনা অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বহরমপুরে একটি পথদুর্ঘটনায় শিলিগুড়ির বিজেপি জেলা সভাপতি অভিজিৎ রায়চৌধুরীর মৃত্যুর ঘটনায় সেই অনুষ্ঠান বাতিল করে দেয় দলীয় নেতৃত্ব। এদিন সকালে আবার এক বর্ষীয়ান নেতার জীবনাবসান হয়। ঠিক হয়, জেলা কার্যালয়ে শোকসভা করেই কর্মসূচি শেষ করা হবে। সেসব হয়েও যায়। এরপর মালতী রাভার গাড়ি বেরোতেই শুরু হয় অশান্তি।

বিরাট মিছিল নিয়ে জেলা কার্যালয়ের দিকে এগিয়ে আসতে থাকে বিক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। গত কয়েকদিন ধরেই উত্তাপ বাড়ছিল। দলের যুব মোর্চার প্রাক্তন জেলা সভাপতি শৈলেন্দ্র সাউ ফেসবুকে পোস্ট করে আক্রমণ করেন জেলাসভাপতির বিরুদ্ধে। নাম না করে রাক্ষসী বলা হয় মালতীদেবীকে। যদিও এদিনের গন্ডগোলে তাঁকে ওই এলাকায় দেখা যায়নি। তবে অনেকেই বলছেন, গোটা ঘটনার নেপথ্যে তিনিই।
যদিও বিজেপি নেতারা এই গণ্ডগোলের দায় তৃণমূলের উপরে চাপিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, শাসকদলের লোকজনই নহামলা চালাতে এসেছিল। তৃণমূল অবশ্য অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। তাদের বক্তব্য, বিজেপি নিজেরাই মারামারি করছে। সেই দায় তৃণমূলের উপরে চাপাচ্ছে।