শেষ আপডেট: 12 March 2020 12:56
এইসব পোস্টে অনেককে ট্যাগ করা হয়েছে। পোস্টগুলি শেয়ার করার আবেদন করা হয়েছে।
উলুবেড়িয়ার আইজি কৌশিক কুণ্ডু বলেন, “আমরা তদন্ত চালাচ্ছি এবং প্রত্যেকদিন ‘রেড’ করছি যাতে তাড়াতাড়ি অভিযুক্তরা ধরা পড়ে।” উলুবেড়িয়ার ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতা সাইদুল রহমানও পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ মানতে নারাজ। তিনি বলেছেন যে পুলিশ তদন্ত করছে।
উলুবেড়িয়ার বীরশিবপুরের মালঞ্চবেড়িয়ায় সোমবার অমিত সরদার নামে এক ব্যক্তির মাথায় ভারী কোনও কিছু দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়। তাতেই তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে সোমবার সকালে অমিত ও তাঁর কয়েক জন বন্ধু মিলে দামোদর নদীর চরে চড়ুইভাতি করতে গিয়েছিলেন। একটি বাইক ও একটি অটোরিকশায় করে তাঁরা চড়ুইভাতি করতে যান। সন্ধ্যায় তাঁরা বাড়ি ফিরছিলেন। অমিত ও তাঁর বন্ধু শেখ জিয়া বাইকে ছিলেন। অন্যরা অটোরিকশায় তাঁদের চেয়ে কিছুটা পিছনে ছিলেন।
মালঞ্চবেড়িয়ায় কয়েক জন মদ্যপ যুবক তাঁদের লক্ষ্য করে কটূক্তি করে ও পথ আটকায়। অমিতরা প্রতিবাদ করেন। ততক্ষণে অটোয় করে আসা অমিতের বন্ধুরাও ঘটনাস্থলে এসে পড়েন। শুরু হয় বচসা। সেই সময় মদ্যপ যুবকরা অমিতের মাথায় ভারী কোনও জিনিস দিয়ে আঘাত করে বলে অভিযোগ। তখনই রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তার উপরে লুটিয়ে পড়েন অমিত। বন্ধুরা অমিতকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লে অভিযুক্তরা চম্পট দেয়। অমিতকে উদ্ধার করে উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান তাঁর বন্ধুরা। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে জানান।
অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে অমিতের এলাকার লোকজন উলুবেড়িয়া থানায় বিক্ষোভ দেখান। সেই সময় মহিলারা হাতের চুড়ি খুলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ছুড়তে থাকেন বলে অভিযোগ। পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতারের আশ্বাস দিলে বিক্ষোভ উঠে যায়। হাওড়া গ্রামীণ জেলার পুলিশ সুপার সৌম্য রায় ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছিলেন।
এবার বিক্ষোভের রাস্তায় না গিয়ে একেবারে সোশ্যাল মিডিয়ার আশ্রয় নিয়েছেন অমিতের পরিজনরা। তাঁরা মুখে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার কথা সরাসরি বলছেন না বটে তবে একান্তে সেই অভিযোগ তুলছেন। ফেসবুকে অভিযুক্তদের ছবি দেওয়ার ফলে পুলিশের উপরেও বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন।