শেষ আপডেট: 24 May 2020 09:30
যাদবপুর, সেলিমপুর, মুকুন্দপুর, রিজেন্ট এস্টেট, সার্ভে পার্ক, রাসবিহারী, বেহালা শীল পাড়া, জেমস লং সরণি, চৌরাস্তা, লেকটাউন, নাগেরবাজারের মতো অধিকাংশ জায়গাতে বিদ্যুৎ এসেছে। স্বরাষ্ট্রদফতরের তরফে আরও বলা হয়েছে, কলকাতার বিভিন্ন পাম্পিং স্টেশনেও কাজ শুরু হয়েছে।
রবিবার বেলা দেড়টা থেকে দুটোর মধ্যে এই দুটি টুইট করা হয় রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফে। যদিও যে এলাকাগুলির কথা উল্লেখ করা হয়েছে সেরকম অনেক এলাকাতেই এখনও কারেন্ট আসেনি বলে জানা গিয়েছে। সার্ভে পার্ক এবং রিজেন্ট এস্টেটে দ্য ওয়াল-এর প্রতিনিধিদের বাড়ি রয়েছে। রবিবার বেলা আড়াইটে পর্যন্ত তাঁদের বাড়িতে বিদ্যুৎ আসেনি। নদিয়ার চাকদহ, পায়রাডাঙা, কৃষ্ণনগর, তাহেরপুরের মতো বহু এলাকা এখনও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন। প্রায় চারদিন হতে চলল বিদ্যুৎবিহীন রয়েছেন অসংখ্য মানুষ। তৈরি হয়েছে তীব্র জলসংকট।
জল, বিদ্যুতের দাবিতে শুক্রবার থেকেই বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল কলকাতা-সহ জেলায় জেলায়। শনিবার তা তীব্র আকার নেয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিক্রিয়ায় বলেন, লকডাউনের জন্য লোকের অভাবেই পুনর্গঠনের কাজ করা যাচ্ছে না। সব এদিক ওদিক ছিটকে গিয়েছে। কাকদ্বীপ যাওয়ার পথে শনিবার তারাতলা সিইএসসি অফিসের সামনে প্রচুর ভিড় দেখে কনভয় থামিয়ে নেমে পড়েন মমতা। সেখানে ক্ষোভ প্রশমিত করতে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁর বাড়িতেও কারেন্ট নেই। ভূতের মতো রয়েছেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী সিইএসসি-কে সিপিএম জমানার বলেও তোপ দাগেন। বলেন, বেসরকারি সংস্থার দায় রাজ্য সরকারের ঘাড়ে চাপাতে না। তারপর সাংবাদিক সম্মেলন করে মানুষের কাছে ক্ষমা চায় সিইএসসি কর্তৃপক্ষ।
তবে এদিন দুপুরে স্বরাষ্ট্র দফতর যে সমস্ত এলাকার উল্লেখ করেছে, সেরকম অনেক এলাকাই এখনও বিদ্যুৎহীন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।