দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাজের সূত্রে গিয়ে চেন্নাইয়ের একটি হোটেলের বাথরুম থেকে উদ্ধার হল হিন্দমোটরের এক যুবকের ঝুলন্ত দেহ। পরিবারের অভিযোগ আত্মহত্যা নয়, খুন করা হয়েছে যুবককে।
জানা গিয়েছে, হিন্দমোটরের ধর্মতলা এলাকার বাসিন্দা ৩১ বছরের ভিক্টর রায় কাজের সূত্রে চেন্নাই গিয়েছিলেন। দু'বছর আগে অ্যামাজন কোম্পানিতে চাকরি পান তিনি। সম্প্রতি একটা নতুন কোম্পানিতে যোগ দিয়েছিলেন ভিক্টর। সেই সূত্রেই চেন্নাই যান তিনি। সবে চারদিন কাজে যোগ দিয়েছিলেন ভিক্টর। তার মধ্যেই এই ঘটনায় শোকের ছায়া ভিক্টরের বাড়িতে।
পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার চেন্নাইয়ের একটি হোটেলে গিয়েছিলেন ভিক্টর। তাঁর সঙ্গে ছিলেন এক যুবক। সেখানে একটি ঘরের বাথরুম থেকে উদ্ধার হয় তাঁর দেহ। ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। কর্মীরা অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া না পাওয়ায় খবর দেওয়া হয় পুলিশে। পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে উদ্ধার করে ভিক্টরের দেহ। তারপর খবর দেওয়া হয় ভিক্টরের বাড়িতে।
ভিক্টরের বাবা ভাস্কর রায় প্রাক্তন পুলিশ কর্মী। বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা ছাড়াও রয়েছেন অসুস্থ মা। মা-বাবার দাবি, ভিক্টর কোনওভাবেই আত্মহত্যার মতো কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। শুক্রবার রাতেও বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা হয়েছিল ভিক্টরের। ভিক্টরের কথা-বার্তায় কোনওভাবেই মনে হয়নি তিনি অবসাদে ভুগছেন। হঠাৎ করে আত্মহত্যার মতো কোনও সিদ্ধান্ত তিনি কেন নেবেন। ভিক্টরের বন্ধুরাও জানিয়েছেন, সবসময় হাসিখুশি থাকতেন তিনি। তিনি এই কাজ করতে পারেন, বিশ্বাস করেন না তাঁরা। পরিবার দাবি করেছে, খুন করা হয়েছে ভিক্টরকে।
চেন্নাই পুলিশ জানিয়েছে, তাঁরা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন। সেদিন হোটেলে যার সঙ্গে ভিক্টর গিয়েছিলেন তার খোঁজ করছে পুলিশ। হোটেল রুমে কী হয়েছিল তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।