দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেতনে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে অবস্থানে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন স্কুলের পার্শ্বশিক্ষক ও স্নাতক শিক্ষকরা। কিন্তু পুলিশের তরফে সেই অনুমতি দেওয়া হয়নি। তারপরেই আদালতের দ্বারস্থ হন তাঁরা। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে কলকাতা হাইকোর্ট জানাল অবস্থানে বসতে পারেন পার্শ্বশিক্ষক ও স্নাতক শিক্ষকরা। তবে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই অবস্থানে বসতে হবে তাঁদের।
বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোভিড প্রোটোকল মেনে এই অবস্থান বিক্ষোভে বসতে হবে তাঁদের। অর্থাৎ ধর্না চলাকালীনও মাস্ক পরা, নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখা প্রভৃতি নিয়ম মেনে চলতে হবে।
আদালতের তরফে স্নাতক শিক্ষকদের সাত দিনের জন্য অবস্থানে বসার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে পার্শ্বশিক্ষকদের কোনও নির্দিষ্ট দিনের কথা জানানো হয়নি। অর্থাৎ তাঁরা অনির্দিষ্টকালের জন্য বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে পারেন।
পার্শ্বশিক্ষক ও স্নাতক শিক্ষকদের অভিযোগ রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। তাঁদের অভিযোগ, বেতন কাঠামোয় বৈষম্য করা হয়েছে। বারবার আবেদন করা সত্ত্বেও তাতে বদল করা হয়নি। ফলে বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন তাঁরা। এই অভিযোগ তুলেই অবস্থানে বসতে চান তাঁরা।
রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এর আগে বহুবার বিক্ষোভ দেখিয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা। সল্টলেকে শিক্ষা দফতরের সামনে থেকে শুরু করে ধর্মতলা বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ দেখিয়েছেন তাঁরা। কখনও তাঁদের বিক্ষোভ তোলার জন্য প্রশাসন বল প্রয়োগ করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। কিছুদিন আগেই পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ চলাকালীন সল্টলেকে ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের বিক্ষোভ চলাকালীন ধর্মতলায় পুলিশের সঙ্গে বচসা হয়েছে। কিন্তু তারপরেও বারবার এই ধরনের অভিযোগ উঠছে। এবার তাদের অবস্থানে বসার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট।