Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রী

শিক্ষা দফতরের নির্দেশ মানতে নারাজ স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়, মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের দ্বারস্থ জলপাইগুড়ি ফার্মেসি কলেজের পড়ুয়ারা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা পরিস্থিতিতে যখন উচ্চমাধ্যমিক সহ একের পর এক পরীক্ষা বাতিল করেছে শিক্ষা দফতর ঠিক সেই সময় উল্টো পথে হাঁটতে চলেছে ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্স বা স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়। জলপাইগুড়ি ফার্মেসি কলেজ কর্তৃপক্ষের

শিক্ষা দফতরের নির্দেশ মানতে নারাজ স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়, মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের দ্বারস্থ জলপাইগুড়ি ফার্মেসি কলেজের পড়ুয়ারা

শেষ আপডেট: 3 July 2020 13:18

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা পরিস্থিতিতে যখন উচ্চমাধ্যমিক সহ একের পর এক পরীক্ষা বাতিল করেছে শিক্ষা দফতর ঠিক সেই সময় উল্টো পথে হাঁটতে চলেছে ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্স বা স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়। জলপাইগুড়ি ফার্মেসি কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে হেলথ ইউনিভার্সিটি অনলাইন বৈঠক করে চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে পড়ুয়াদের সশরীরে কলেজে উপস্থিত হয়ে পরীক্ষা নেবার নির্দেশ দিয়েছে বলে অভিযোগ। জলপাইগুড়ি ফার্মেসি কলেজে আটটি সেমেস্টারে মোট পড়ুয়ার সংখ্যা ২০০ জন। যেখানে কলেজের হোস্টেলে থাকতে পারেন মাত্র ২৫ জন। বাকিরা জলপাইগুড়ির বিভিন্ন পাড়ায় বাড়ি ভাড়া করে, মেস বানিয়ে বা পেইং গেস্ট হিসাবে থেকে এত দিন পড়াশোনা করছিলেন। করোনা পরিস্থিতিতে কলেজের নির্দেশে বেশির ভাগ পড়ুয়াই ভাড়া বাড়ি ছেড়ে দিয়ে যে যার নিজেদের বাড়ি চলে গেছেন। কলেজে এসে পরীক্ষা দিতে হবে জানতে পেরে তাঁরা বাড়ির মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন কিন্তু তাঁরা এখন বাড়ি ভাড়া দিতে রাজি নন। তাঁরা জানিয়ে দিয়েছেন, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা কেউ বাড়ি ভাড়া দেবেন না। ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র জ্যোতির্ময় পাণ্ডা বলেন, “শিক্ষা দফতর থেকে পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে ইতিমধ্যে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেই নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা আছে, ১০০ শতাংশের মধ্যে ৮০ শতাংশ নম্বর বিগত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে দেওয়া হবে। বাকি ২০ শতাংশ নম্বর দেওয়া হবে অনলাইনে হোম অ্যাসাইনমেন্টের ভিত্তিতে। কিন্তু সম্প্রতি আমরা কলেজের শিক্ষকদের কাছ থেকে জানতে পেরেছি সেই নির্দেশিকা মানতে নারাজ হেলথ ইউনিভার্সিটি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে সশরীরে কলেজে উপস্থিত হয়ে পরীক্ষা দিতে হবে।” করোনা পরিস্থিতিতে কলেজের প্রায় সমস্ত ছাত্র কলেজের নির্দেশেই জানুয়ারি মাসে বাড়ি ফিরে গেছেন। এই পরিস্থিতিতে তারা জলপাইগুড়িতে কী ভাবে আসবেন, এলে থাকবেই বা কোথায় থাকবেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। জ্যোতির্ময় পাণ্ডা বলেন, “আমরা পরীক্ষা দিতে চাই কিন্তু তা শিক্ষা দফতরের জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী নিতে হবে।” তন্ময় তন্ত্র নামে কলেজের অপর এক ছাত্র জানান, করোনা পরিস্থিতি মাথায় রেখে বিষয়টি সমাধানের জন্য তাঁরা ইমেলের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের দফতরে তাঁদের সমস্যার কথা জানিয়েছেন। জলপাইগুড়ি ফার্মেসি কলেজের অধ্যক্ষ সৌরভ সিংহরায় জানান, “অনলাইন মিটিং করে আমাকে পরীক্ষা নিয়ামক বলেন উনি পরীক্ষা নেবেন এবং আরও জোরের সঙ্গে বলেন, যদি একজনও আসে তবে তারই পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষা নিতে আমার কোনও সমস্যা নেই কিন্তু এতগুলো ছেলেমেয়ে আসবে কী ভাবে? আর এলেই বা তারা থাকবে কোথায়? এই নিয়ে আমার সঙ্গে কন্ট্রোলারের কথা কাটাকাটি হয়েছে কিন্তু উনি ওঁর সিদ্ধান্তে অনড়।” তিনি বলেন, “এটা ফার্মেসি কলেজ হলেও পঠনপাঠনের ধরণ মেডিক্যালের মতো নয়। এঁদের কাউকে হাউস স্টাফ বা ইন্টার্নশিপ করতে হয় না বরং অনেকটা টেকনিক্যাল বা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের মতো। একথা কন্ট্রোলার কিছুতেই বুঝতে চাইছেন না। একটা বিষয় আমি নিজেও বুঝতে পারছি না মুখ্যমন্ত্রী যেখানে নিজে নির্দেশ দিয়েছেন ৮০ শতাংশ গড় আর বাকি ২০ শতাংশ হোম অ্যাসাইনমেন্ট এটা মানতে অসুবিধা কোথায়? তাছাড়া ফাইনাল ইয়ারের পড়ুয়ারা অনেকেই চাকরি পেয়েছেন। কেউ আবার আরও উচ্চশিক্ষা নেবেন। তাই এদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার কি আদৌ কোনও মানে আছে তা আমি বুঝতে পারছি না। আমি সমস্ত বিষয় জানিয়ে ইতিমধ্যেই সমস্ত দফতরে ইমেল পাঠিয়েছি।” তিনি উত্তরের অপেক্ষায় আছেন বলে জানান অধ্যক্ষ।

```