দ্য ওয়াল ব্যুরো, মালদা: ফের একবার কাটমানির অভিযোগ উঠল মালদা জেলায়। এবার কন্যাশ্রী প্রকল্পের টাকা পাইয়ে দেওয়ার নামে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠল এই হাই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ও কর্মীর বিরুদ্ধে। এই অভিযোগকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সূত্রের খবর, ঘটনাটি ঘটেছে মালদা জেলার চাঁচলে। সেখানকার জালালপুর হাই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ও স্কুলের এক চতুর্থ শ্রেণির কর্মীর বিরুদ্ধে এই কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জানা গিয়েছে, কন্যাশ্রী প্রকল্পের টাকা পাইয়ে দেওয়ার নামে অভিভাবকদের কাছে টাকা নিয়েছেন তিনি।
প্রধান শিক্ষক ও কর্মীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনেন বেশ কয়েকজন অভিভাবক। তাঁদের অভিযোগ, কন্যাশ্রী প্রকল্পের টাকা সরকারের তরফে ছাত্রীদের দেওয়া হয়। এই টাকা ছাত্রীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব স্কুলের। কিন্তু ওই প্রধান শিক্ষক অভিভাবকদের বলেন, টাকা পেতে গেলে ৫ হাজার করে টাকা তাঁকে দিতে হবে। সেইমতো অনেক অভিভাবক তাঁকে ৫ হাজার করে টাকা দেন বলেও অভিযোগ। এই ঘটনায় প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে ওই চতুর্থ শ্রেণির কর্মী যুক্ত ছিলেন বলেও অভিযোগ।
এই ঘটনার একটি ভিডিও প্রকাশ হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে ওই প্রধান শিক্ষক ও কর্মীকে টাকা নিতে দেখা গিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা দ্য ওয়াল যাচাই করেনি।
অবশ্য এই অভিযোগের পরে তা অস্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক। তিনি জানিয়েছেন, কারও কাছে তিনি টাকা নেননি। ওই ভিডিও জাল। তাঁকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। চতুর্থ শ্রেণির ওই কর্মীর তরফে অবশ্য কিছু জানানো হয়নি।
অভিভাবকদের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মালদার জেলাশাসক। এই ঘটনা প্রকাশ হতেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। প্রধান শিক্ষকের অপসারণের দাবি তুলেছেন অভিভাবকরা।