দ্য ওয়াল ব্যুরো, দার্জিলিং: রবিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে মনটা খুশিতে ভরে উঠেছে পাহাড়ে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের। রাস্তা ঢেকে আছে সাদা বরফে। মরসুমের প্রথম তুষারপাত হল দার্জিলিংয়ে।
শনিবার রাতেই সান্দাকফুতে তুষারপাত শুরু হয়। সকালে দেখা যায় তুষারের চাদরে ঢেকে আছে গোটা এলাকা। তাই এই মুহূর্তে সেখানে থাকা পর্যটকদের মধ্যে আনন্দের অন্ত নেই। এমনিতেই দার্জিলিং যাওয়া পর্যটকদের অনেকেই তুষারপাতের আমেজ উপভোগ করার জন্য সান্দাকফুতে যান। কিন্তু এত তাড়াতাড়ি তুষারপাত তাঁরা দেখতে পাবেন তা ভাবেননি। তাই আনন্দটা যেন আরও কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে।
করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পরেই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল পাহাড়ের পর্যটন। তার ফলে সমস্যায় পড়েছিলেন পাহাড়ের মানুষরা। কারণ তাঁদের রোজগারের অনেকটা জুড়েই এই পর্যটন। সেটা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আর্থিক সমস্যায় পড়েন তাঁরা। কিন্তু ধীরে ধীরে কিছুটা স্বাভাবিক হচ্ছে পরিস্থিতি। পুজোর সময় ও তার পর থেকে পাহাড়মুখী পর্যটকদের সংখ্যাটা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। মানুষও যেন প্রকৃতির কোলে গিয়ে একটু হাঁফ ছেড়ে বাঁচছে।
এই সময় তুষারপাত হওয়ায় তার ইতিবাচক প্রভাব পর্যটনে পড়বে বলেই আশাবাদী ব্যবসায়ীরা। কারণ এই তুষারপাত পর্যটকদের মধ্যে একটা বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করে। দার্জিলিংয়ে পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত দীপেন লামা বলেছেন, “আশা করিনি এত তাড়াতাড়ি তুষারপাত হবে। তবে যা হয়েছে তা পর্যটন শিল্পের জন্য ইতিবাচক বলে মনে করছি। আশা করছি আগামী দিনে আরও বেশি মানুষ বেড়াতে আসবেন এখানে।”