এসএসকেএম-এ ঢুকল কোভিড, আক্রান্ত চিকিৎসককে পাঠানো হল বেসরকারি হাসপাতালে
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যে একের পর এক হাসপাতালে ঢুকছে করোনাভাইরাস। এবার এসএসকেএম হাসপাতালেও। মঙ্গলবার চিকিৎসক অরুণাভ সেনগুপ্তর রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে বলে জানা গিয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই তিনি জ্বরে ভুগছিলেন। সঙ্গে ছিল শ্বাসকষ্ট। উপসর্গ বুঝেই করোনা প
শেষ আপডেট: 13 May 2020 01:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যে একের পর এক হাসপাতালে ঢুকছে করোনাভাইরাস। এবার এসএসকেএম হাসপাতালেও। মঙ্গলবার চিকিৎসক অরুণাভ সেনগুপ্তর রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে বলে জানা গিয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই তিনি জ্বরে ভুগছিলেন। সঙ্গে ছিল শ্বাসকষ্ট। উপসর্গ বুঝেই করোনা পরীক্ষা করা হয়। মঙ্গলবার সেই রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তিনি এসএসকেএমের আইসিউতেই ভর্তি ছিলেন। কিন্তু মঙ্গলবার তাঁকে সল্টলেকের আমরি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।
এর আগে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের একাধিক চিকিৎসক ও নার্স করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সংক্রামিতদের সংস্পর্শে আসার জন্য আরজি কর হাসপাতালেরও বেশ কয়েকজন চিকিৎসককে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হয়েছে। এখন চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে এসএসকেএম হাসপাতালের ওই চিকিৎসক কাদের সংস্পর্শে এসেছিলেন। তাঁদেরও এবার কোয়ারেন্টাইনে পাঠাতে হবে।
চলতি মাসেই কলকাতা থেকে উত্তরবঙ্গে যাওয়া এক চিকিৎসকের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সেই চিকিৎসকও অনেকের সংস্পর্শে এসেছিলেন। সেজন্য ২৬ জন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীকে সেল্ফ আইসোলেশনে পাঠানো হয়। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ সংলগ্ন একটি ভবনেই রাখা হয়েছে তাঁদের। সংক্রমণ ধরা পড়া চক্ষু বিভাগের ওই প্রবীণ চিকিৎসককে ভর্তি করা হয়েছে মাটিগাড়া সংলগ্ন এলাকায় রাজ্য সরকারের করোনা হাসপাতলে। আক্রান্ত চিকিৎসকের বয়স ৬৩ বছর। অবসর নেওয়ার পরে তাঁকে স্বাস্থ্য দফতর থেকে পুনর্নিয়োগ করা হয়।
অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ভাবে এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রাজ্যের দুই চিকিৎসকের মৃত্যু হয়। প্রথমে মৃত্যু হয় রাজ্যের অতিরিক্ত স্বাস্থ্য অধিকর্তা তথা চিকিৎসক বিপ্লব দাশগুপ্তের। এর পরে শিশির মণ্ডল নামে আর এক চিকিৎসকের মৃত্যু হয়। ওই চিকিৎসক কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ ছিলেন।